সবার জানা দরকারঃ ইরানের জেনারেল কাশেম সোলাইমানির হত্যাকান্ডের পূর্বাপর। (পর্ব তিন)
বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ও ইরানের আন অফিসিয়াল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকি মিলিশিয়া বাহিনী হাশদ আস সাবির কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিস সহ দশজনের হত্যাকাণ্ডকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছে ইরাক।
এর প্রতিক্রিয়ায় গতকাল পাচ জানুয়ারি রবিবার রাতে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবে নিয়েছে ইরাকি পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা। ইরাকি পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের তাত্খনিক প্রতিক্রিয়ায় ডোনান্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইরাকের উপর জরুরি ভিত্তিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
সাতান্ন জাতি নতুন ইসলামী দেশের ফোরামের প্রতিটি দেশ গতকালই আমেরিকাকে স্পষ্ট আলাদা আলাদা ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরান, ইরাক বা কোন মুসলিম দেশেই হামলা করতে দেওয়া হবে না। যদি তাদের দেশের ঘাঁটি ব্যাবহার করে হামলা চালানো হয়, তবে তা প্রতিরোধ করা হবে।
অবাক করা বিষয় হল সৌদি আরব এই হামলার ঘটনার পর ভিষন রকমের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। গতকাল সৌদি আরব সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যেহেতু তাদেরকে জানিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়নি সুতরাং উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের কোন ঘাঁটি ব্যাবহার করে ইরান বা ইরাকে মার্কিন বাহিনীকে হামলা চালাতে দেওয়া হবে না। সাতান্ন মুসলিম দেশের ঐক্যের বাইরে থেকেও চীর শত্রু ইরানের পক্ষে এমন ঘোষণা আপাত দৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, বাস্তবতা হলো ইরানে আমেরিকা যদি আক্রমণ করে সেই যুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্হ হবে ইরানের পাশাপাশি সৌদি আরবও।
এদিকে সাতান্ন জাতীর আপাতত বাইরে রাখা আফগানীস্হানও স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান বা কোন মুসলিম দেশে হামলা করতে আফগানীস্হানে অবস্থিত কোন আমেরিকান ঘাঁটি ব্যাবহার করতে দেওয়া হবে না। পাকিস্তান, কাতারও বেশ স্পষ্ট ভাবেই একই বার্তা দিয়েছে।
এদিকে গতকাল থেকে ঘোষণা দিয়েই পারমানবিক বোমা তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু করেছে ইরান। যদিও এই কাজটি প্রায় পুরোটাই পূর্বেই সম্পন্ন করে রেখেছিল ইরান।
গতকাল রবিবার পাঁচ জানুয়ারি আমেরিকার কমপক্ষে সত্তরটি শহরে ইরানে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ দেখিয়েছেন খোদ আমেরিকার জনগন।
এ দিকে জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে সিরিয়া থেকে বহনকারী বিমানের পাইলট, কো পাইলট, সকল ক্রুদের ও এই বিমানটি পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইরান ও ইরাকের যৌথ বিশেষ টিম। ধারনা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে থেকেই যে কেউ আমেরিকার কাছে জেনারেল সোলাইমানির বাগদাদ এয়ারপোর্টে আগমনের সংবাদ জানিয়ে দিয়েছেন।
গত তেশরা জানুয়ারির হামলার পূর্বে ইরাকে সব গুলো মার্কিন ঘাঁটিতে সর্বমোট আমেরিকান সৈন্য সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার দুইশ সাতাশ জন। হামলার পরপরই আরো সাড়ে তিন হাজার মার্কিন সৈন্য তাত্খনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছে।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল-মাহদি নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া পুরো ইরান ও ইরাক জুড়ে আজ শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে সাধারণ লাখ জনগণের সাথে দুই দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের দেখা যায়। অনেকেই নিহত দুই নেতার ছবি বহন করছিলেন এবং মিছিলে ক্রন্দনরত ছিলেন। গতকালের ইরানী টেলিভিশনে বারংবার প্রচারিত সংবাদের অন্যতম সংবাদ ছিলো বিক্ষুব্ধ এক ইরানীর ট্রাম্পের মাথার মূল্য আশি মিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ইরানী মুদ্রার পুরস্কার ঘোষণা। এই ঘোষণার সংবাদটি সবগুলো টেলিভিশন ও রেডিওতে সারাদিন বারংবার প্রচার করা হয়।
হত্যাকান্ডের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেওয়ার ঘোষণা দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। তিনি নিজে জেনারেল সোলাইমানির গৃহে ছুটে যান এবং স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার বদলা নেয়ার প্রতিজ্ঞার কথা শুনান।
এদিকে, ইরান যাতে জেনারেল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ না নেয় সেজন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রসঙ্গে ইরানের সাবেক কূটনীতিক আমির আল-মুসাভি বলেন, “একজন আরব মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমাকে অনুরোধ করা হয়েছে, আমেরিকা যে অপরাধ করেছে তার জন্য ইরান যেন কোনও প্রতিশোধ না নেয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।” তবে এমন প্রস্তাব আমলে নেয়নি ইরানী কতৃপক্ষ।
এদিকে কেনিয়ার লামু কাউন্টির মান্দা দ্বীপে অবস্থিত আমেরিকার বাইরে সিআইএ সবচেয়ে বড় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইরানের সমর্থনে আল শাবাব অদ্য ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী হামলা চালিয়ে বহু আমেরিকান, গোয়েন্দা প্রশিক্ষণার্থী ও সামরিক ঘাঁটিতে কর্মরত ব্যাক্তিকে হত্যা করেছে। দুই ঘন্টাব্যাপী এই হামলায় আল শাবাব এর চারজন কমান্ডোও নিহত হয়েছেন।
এদিকে একান্ত বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইরাকের মসুলে আল-কিন্দি সেনা ঘাঁটিতে অদ্য পাঁচ জানুয়ারি রবিবার সকাল থেকে মোট তিন দফা ও রবিবার রাতে দুই দফা হামলা চালিয়েছে ইরানের বিমান বাহিনী। এই ঘাঁটিতে বহু মার্কিন সেনা রয়েছেন। এমনকি রাখা রয়েছে বহু যুদ্ধাস্ত্রও। আর সে কারণে এই ঘাঁটিকেই টার্গেট করেছে ইরান। হামলার পর দাউ দাউ করে বহু দূর থেকে ঘাঁটিটি জ্বলতে দেখা গেছে এবং সেখান থেকে বড় রকমের বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূর থেকে বারংবার শোনা যাচ্ছিল। বিশেষ সূত্র আরও নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় বহু মার্কিন সেনার মৃত্যু ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ও ব্যাপক।
এদিকে গতকাল চার জানুয়ারি ন্যায় গতরাতেও ইরাকের গ্রিন জোনে আমেরিকান দূতাবাস ঘিরে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পরপর দুটি মিসাইল এসে পড়ে মার্কিন দূতাবাসের কাছেই। সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে সাইরেন। সতর্ক করা হয় মার্কিন কূটনীতিক ও সেনাদের।
আগামীকাল মঙ্গলবার সাত জানুয়ারি জেনারেল সোলাইমানিকে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে সর্বশেষ জানাজার পর দাফন করার কথা রয়েছে। গতকাল রবিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির ইমামতিতে তেহরান বিশ্ব বিদ্যালয়ে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। (চলবে)
কাজী শামীম আহসান সোহেল।
Facebook:- Kazi Shamim Ahsan.
এর প্রতিক্রিয়ায় গতকাল পাচ জানুয়ারি রবিবার রাতে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবে নিয়েছে ইরাকি পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা। ইরাকি পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের তাত্খনিক প্রতিক্রিয়ায় ডোনান্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইরাকের উপর জরুরি ভিত্তিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
সাতান্ন জাতি নতুন ইসলামী দেশের ফোরামের প্রতিটি দেশ গতকালই আমেরিকাকে স্পষ্ট আলাদা আলাদা ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরান, ইরাক বা কোন মুসলিম দেশেই হামলা করতে দেওয়া হবে না। যদি তাদের দেশের ঘাঁটি ব্যাবহার করে হামলা চালানো হয়, তবে তা প্রতিরোধ করা হবে।
অবাক করা বিষয় হল সৌদি আরব এই হামলার ঘটনার পর ভিষন রকমের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। গতকাল সৌদি আরব সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যেহেতু তাদেরকে জানিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়নি সুতরাং উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের কোন ঘাঁটি ব্যাবহার করে ইরান বা ইরাকে মার্কিন বাহিনীকে হামলা চালাতে দেওয়া হবে না। সাতান্ন মুসলিম দেশের ঐক্যের বাইরে থেকেও চীর শত্রু ইরানের পক্ষে এমন ঘোষণা আপাত দৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, বাস্তবতা হলো ইরানে আমেরিকা যদি আক্রমণ করে সেই যুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্হ হবে ইরানের পাশাপাশি সৌদি আরবও।
এদিকে সাতান্ন জাতীর আপাতত বাইরে রাখা আফগানীস্হানও স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান বা কোন মুসলিম দেশে হামলা করতে আফগানীস্হানে অবস্থিত কোন আমেরিকান ঘাঁটি ব্যাবহার করতে দেওয়া হবে না। পাকিস্তান, কাতারও বেশ স্পষ্ট ভাবেই একই বার্তা দিয়েছে।
এদিকে গতকাল থেকে ঘোষণা দিয়েই পারমানবিক বোমা তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু করেছে ইরান। যদিও এই কাজটি প্রায় পুরোটাই পূর্বেই সম্পন্ন করে রেখেছিল ইরান।
গতকাল রবিবার পাঁচ জানুয়ারি আমেরিকার কমপক্ষে সত্তরটি শহরে ইরানে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ দেখিয়েছেন খোদ আমেরিকার জনগন।
এ দিকে জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে সিরিয়া থেকে বহনকারী বিমানের পাইলট, কো পাইলট, সকল ক্রুদের ও এই বিমানটি পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইরান ও ইরাকের যৌথ বিশেষ টিম। ধারনা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে থেকেই যে কেউ আমেরিকার কাছে জেনারেল সোলাইমানির বাগদাদ এয়ারপোর্টে আগমনের সংবাদ জানিয়ে দিয়েছেন।
গত তেশরা জানুয়ারির হামলার পূর্বে ইরাকে সব গুলো মার্কিন ঘাঁটিতে সর্বমোট আমেরিকান সৈন্য সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার দুইশ সাতাশ জন। হামলার পরপরই আরো সাড়ে তিন হাজার মার্কিন সৈন্য তাত্খনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছে।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল-মাহদি নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া পুরো ইরান ও ইরাক জুড়ে আজ শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে সাধারণ লাখ জনগণের সাথে দুই দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের দেখা যায়। অনেকেই নিহত দুই নেতার ছবি বহন করছিলেন এবং মিছিলে ক্রন্দনরত ছিলেন। গতকালের ইরানী টেলিভিশনে বারংবার প্রচারিত সংবাদের অন্যতম সংবাদ ছিলো বিক্ষুব্ধ এক ইরানীর ট্রাম্পের মাথার মূল্য আশি মিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ইরানী মুদ্রার পুরস্কার ঘোষণা। এই ঘোষণার সংবাদটি সবগুলো টেলিভিশন ও রেডিওতে সারাদিন বারংবার প্রচার করা হয়।
হত্যাকান্ডের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেওয়ার ঘোষণা দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। তিনি নিজে জেনারেল সোলাইমানির গৃহে ছুটে যান এবং স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার বদলা নেয়ার প্রতিজ্ঞার কথা শুনান।
এদিকে, ইরান যাতে জেনারেল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ না নেয় সেজন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রসঙ্গে ইরানের সাবেক কূটনীতিক আমির আল-মুসাভি বলেন, “একজন আরব মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমাকে অনুরোধ করা হয়েছে, আমেরিকা যে অপরাধ করেছে তার জন্য ইরান যেন কোনও প্রতিশোধ না নেয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।” তবে এমন প্রস্তাব আমলে নেয়নি ইরানী কতৃপক্ষ।
এদিকে কেনিয়ার লামু কাউন্টির মান্দা দ্বীপে অবস্থিত আমেরিকার বাইরে সিআইএ সবচেয়ে বড় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইরানের সমর্থনে আল শাবাব অদ্য ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী হামলা চালিয়ে বহু আমেরিকান, গোয়েন্দা প্রশিক্ষণার্থী ও সামরিক ঘাঁটিতে কর্মরত ব্যাক্তিকে হত্যা করেছে। দুই ঘন্টাব্যাপী এই হামলায় আল শাবাব এর চারজন কমান্ডোও নিহত হয়েছেন।
এদিকে একান্ত বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইরাকের মসুলে আল-কিন্দি সেনা ঘাঁটিতে অদ্য পাঁচ জানুয়ারি রবিবার সকাল থেকে মোট তিন দফা ও রবিবার রাতে দুই দফা হামলা চালিয়েছে ইরানের বিমান বাহিনী। এই ঘাঁটিতে বহু মার্কিন সেনা রয়েছেন। এমনকি রাখা রয়েছে বহু যুদ্ধাস্ত্রও। আর সে কারণে এই ঘাঁটিকেই টার্গেট করেছে ইরান। হামলার পর দাউ দাউ করে বহু দূর থেকে ঘাঁটিটি জ্বলতে দেখা গেছে এবং সেখান থেকে বড় রকমের বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূর থেকে বারংবার শোনা যাচ্ছিল। বিশেষ সূত্র আরও নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় বহু মার্কিন সেনার মৃত্যু ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ও ব্যাপক।
এদিকে গতকাল চার জানুয়ারি ন্যায় গতরাতেও ইরাকের গ্রিন জোনে আমেরিকান দূতাবাস ঘিরে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পরপর দুটি মিসাইল এসে পড়ে মার্কিন দূতাবাসের কাছেই। সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে সাইরেন। সতর্ক করা হয় মার্কিন কূটনীতিক ও সেনাদের।
আগামীকাল মঙ্গলবার সাত জানুয়ারি জেনারেল সোলাইমানিকে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে সর্বশেষ জানাজার পর দাফন করার কথা রয়েছে। গতকাল রবিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির ইমামতিতে তেহরান বিশ্ব বিদ্যালয়ে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। (চলবে)
কাজী শামীম আহসান সোহেল।
Facebook:- Kazi Shamim Ahsan.


No comments