বাদ গেলনা কেউঃ রাজভবনে ৭ জন কর্মচারী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৮০ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত।
মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক একের পর এক করোনা ভাইরাসের তথ্য প্রকাশ করে যাচ্ছে। প্রতিদিন শত শত আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে যাচ্ছেন। কিন্তু দুঃসংবাদ এটা যে আজ স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮০ জন চিকিৎসক, নার্স ও সেচ্ছাসেবীর আক্রান্তের খবর তাকে প্রকাশ করতে হয়েছে। একদিকে যেমন ডাক্তারগণ নিজেদের জীবন বাজী রেখে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে আবার নিজেরাই আক্রান্ত হওয়ার খবর সত্যিই দুঃখজনক।
তিনি বলেন, একটি প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত সুযোগ সুবিধার সাথে কোভিড-১৯ এর সংক্রমন হওয়ার বিষয়টি জড়িত নয় বলে তিনি জানান।
যাই হোক, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত চিকিৎসা সেবার ফ্রন্টলাওনে যারা দায়িত্বরত আছে, তাদের সবাইকে অত্যন্ত সচেতন ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করে রোগীদের চিকিৎসা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন পরামর্শ যেমন ঘন ঘন হাত ওয়াশ করা, জীবাণু প্রতিরোধী হ্যান্ড গ্লোব ব্যবহার করা, সামাজিক জীবনূমক্ত চালচলন চর্চা করা, নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই/PPE) ইত্যাদি ব্যবহার নিজের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করে চিকিৎসা সেবার কাজে বা ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করার আহ্বান তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন।
গতকাল নুর হিশাম একয়াতি সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা তাবলীগ ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়েই আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বিদেশ ভ্রমনকারীদের সংস্পর্শ ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ফলে আক্রান্তের কথা তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে আজ মালয়েশিয়ার ইসতানা নেগারা বা রাজ ভবনের কর্মরত ৭ জন কর্মচারী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা কুয়ালালামপুর হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন রাজ ভবনের ব্যবস্থাপক দাতু আহমেদ ফাদিল সামসুদ্দিন। তিনি আরও বলেন, মহামহিম রাজা ইয়াং ডি পারতুয়ান আগং আল-সুলতান আবদুল্লাহ রিয়াতউদ্দীন আল-মুস্তফা বিল্লাহ শাহ ও মহামান্য রানী তুনকু হাজাহ আজিজাহ আমিনাহ মাইমুনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তিনি মহামহিম দুজনেই করোনা ভাইরাস
থেকে মুক্ত আছেন। তিনি গতকাল থেকে আগামী ১৪ দিন তাঁর রাজভবনের সবাইকে গৃহবন্দী বা কোয়ারেন্টাইনে রাখার আদেশ দিয়েছেন। তিনি নিজেও সেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। আহমেদ ফাদিল আরও জানান, আল সুলতান রাজা ইয়াং ডি পারতুয়ান আগং কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন ও সাংসদীয় অন্যান্য কমিটির সাথে কোন ধরনের বৈঠক করবেন না।
রাজার পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, রয়েল প্যালেসে কিভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে সেটা ভালোভাবে তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে।
তিনি আরও বলেন আগামী ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো বিষয়ে মহামহিম সুলতান সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন এবং ধর্ম মন্ত্রী জুলকিফলি আল বাকরী কে আদেশে দিয়েছেন যে সকল মুসলমানগন যেন এই পরিস্থিতিতে দেশের সকলের মঙ্গল কামনায় ঘরে বসে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করে।
মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮০ জন চিকিৎসক, নার্স ও সেচ্ছাসেবীর আক্রান্তের খবর তাকে প্রকাশ করতে হয়েছে। একদিকে যেমন ডাক্তারগণ নিজেদের জীবন বাজী রেখে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে আবার নিজেরাই আক্রান্ত হওয়ার খবর সত্যিই দুঃখজনক।
তিনি বলেন, একটি প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত সুযোগ সুবিধার সাথে কোভিড-১৯ এর সংক্রমন হওয়ার বিষয়টি জড়িত নয় বলে তিনি জানান।
যাই হোক, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত চিকিৎসা সেবার ফ্রন্টলাওনে যারা দায়িত্বরত আছে, তাদের সবাইকে অত্যন্ত সচেতন ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করে রোগীদের চিকিৎসা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন পরামর্শ যেমন ঘন ঘন হাত ওয়াশ করা, জীবাণু প্রতিরোধী হ্যান্ড গ্লোব ব্যবহার করা, সামাজিক জীবনূমক্ত চালচলন চর্চা করা, নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই/PPE) ইত্যাদি ব্যবহার নিজের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করে চিকিৎসা সেবার কাজে বা ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করার আহ্বান তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন।
গতকাল নুর হিশাম একয়াতি সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা তাবলীগ ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়েই আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বিদেশ ভ্রমনকারীদের সংস্পর্শ ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ফলে আক্রান্তের কথা তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে আজ মালয়েশিয়ার ইসতানা নেগারা বা রাজ ভবনের কর্মরত ৭ জন কর্মচারী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা কুয়ালালামপুর হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন রাজ ভবনের ব্যবস্থাপক দাতু আহমেদ ফাদিল সামসুদ্দিন। তিনি আরও বলেন, মহামহিম রাজা ইয়াং ডি পারতুয়ান আগং আল-সুলতান আবদুল্লাহ রিয়াতউদ্দীন আল-মুস্তফা বিল্লাহ শাহ ও মহামান্য রানী তুনকু হাজাহ আজিজাহ আমিনাহ মাইমুনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তিনি মহামহিম দুজনেই করোনা ভাইরাস
থেকে মুক্ত আছেন। তিনি গতকাল থেকে আগামী ১৪ দিন তাঁর রাজভবনের সবাইকে গৃহবন্দী বা কোয়ারেন্টাইনে রাখার আদেশ দিয়েছেন। তিনি নিজেও সেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। আহমেদ ফাদিল আরও জানান, আল সুলতান রাজা ইয়াং ডি পারতুয়ান আগং কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন ও সাংসদীয় অন্যান্য কমিটির সাথে কোন ধরনের বৈঠক করবেন না।
রাজার পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, রয়েল প্যালেসে কিভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে সেটা ভালোভাবে তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে।
তিনি আরও বলেন আগামী ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো বিষয়ে মহামহিম সুলতান সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন এবং ধর্ম মন্ত্রী জুলকিফলি আল বাকরী কে আদেশে দিয়েছেন যে সকল মুসলমানগন যেন এই পরিস্থিতিতে দেশের সকলের মঙ্গল কামনায় ঘরে বসে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করে।


No comments