বিশেষ ভাষনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন জাতীর উদ্দেশ্যে যা যা বললেন। অভিবাসী কন্ঠ
মালয়েশিয়া জাতির উদ্দেশ্যে বিশেষ ভাষনে আজ তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন বলেছেন, ইরান ও ইতালিতে করোনা ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণের ফলে সেখানকার জনজীবন ভয়ংকর এক হুমকির মুখে পড়েছে তাই মালয়েশিয়ার সরকার এই পরিস্থিতির অবনতির কারনে সেখানে থাকা মালয়েশিয়ান নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করে করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানে ৬৫ জন এবং ইতালিতে ৩২৩ জন মালয়েশিয়াকে বিশেষ মিশনে দেশে নিয়ে আসা হবে।
গতকাল ১৩ই মার্চ রাত ৯টায় টেলিভিশন চ্যানেলগুলির মাধ্যমে সম্প্রচারিত এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, চীন, ইরান, ইতালি এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলিতে মালয়েশিয়ানদের দুর্দশা ও ভাগ্যের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রেকর্ড অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় এর আগে যথাক্রমে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি ২ মানবিক ত্রানের অংশ হিসেবে বিশেষ মিশনের মাধ্যমে চীনের উহান শহরে অবস্থানরত স্থানীয় মালয়েশিয়ানদের দেশে ফিরিয়ে এনেছিল।
প্রথম মিশনের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সরকার সফলভাবে ১০৭ জন মালয়েশিয়ানকে হুবেই প্রদেশ থেকে সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছিল তারপরে ২য় মিশনে ২৬ ফেব্রুয়ারী একই অঞ্চলের ৬৬ জনকে ফিরিয়ে এনেছিল।।
মহিউদ্দিন আরও বলেছিলেন, সরকার চীন তিনটি প্রদেশ, হুবেই, জিয়াংসু এবং জেজিয়াংয়ের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও বাড়িয়ে দেবে পাশাপাশি জাপানের হক্কাইডো অঞ্চল, ইতালি, ইরানএবং দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তাই প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশগুলোতে মালয়েশিয়ানদের ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়াও, মহিউদ্দিন বলেছেন, কেবলমাত্র দেশে যেসব জাহাজ অতিরিক্ত পন্য সরবরাহ করে সেসব জাহাজগুলো বন্দরে আসতে কো৷ বাধা থাকবেনা।
শুধুমাত্র মালয়েশিয়ানদের হেলথ স্ক্রিনিং এর মধ্য দিয়ে জাহাজে উঠানামা করতে দেয়া হবে।
গত বুধবার, জাতীয় জোটের মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে শুক্রবার (১৩ মার্চ) থেকে কার্যকরভাবে মালয়েশিয়া ইটালিয়ান, ইরানীয় এবং দক্ষিণ কোরিয়ানদের প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে৷
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানে ৬৫ জন এবং ইতালিতে ৩২৩ জন মালয়েশিয়াকে বিশেষ মিশনে দেশে নিয়ে আসা হবে।
গতকাল ১৩ই মার্চ রাত ৯টায় টেলিভিশন চ্যানেলগুলির মাধ্যমে সম্প্রচারিত এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, চীন, ইরান, ইতালি এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলিতে মালয়েশিয়ানদের দুর্দশা ও ভাগ্যের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রেকর্ড অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় এর আগে যথাক্রমে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি ২ মানবিক ত্রানের অংশ হিসেবে বিশেষ মিশনের মাধ্যমে চীনের উহান শহরে অবস্থানরত স্থানীয় মালয়েশিয়ানদের দেশে ফিরিয়ে এনেছিল।
প্রথম মিশনের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সরকার সফলভাবে ১০৭ জন মালয়েশিয়ানকে হুবেই প্রদেশ থেকে সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছিল তারপরে ২য় মিশনে ২৬ ফেব্রুয়ারী একই অঞ্চলের ৬৬ জনকে ফিরিয়ে এনেছিল।।
মহিউদ্দিন আরও বলেছিলেন, সরকার চীন তিনটি প্রদেশ, হুবেই, জিয়াংসু এবং জেজিয়াংয়ের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও বাড়িয়ে দেবে পাশাপাশি জাপানের হক্কাইডো অঞ্চল, ইতালি, ইরানএবং দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তাই প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশগুলোতে মালয়েশিয়ানদের ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়াও, মহিউদ্দিন বলেছেন, কেবলমাত্র দেশে যেসব জাহাজ অতিরিক্ত পন্য সরবরাহ করে সেসব জাহাজগুলো বন্দরে আসতে কো৷ বাধা থাকবেনা।
শুধুমাত্র মালয়েশিয়ানদের হেলথ স্ক্রিনিং এর মধ্য দিয়ে জাহাজে উঠানামা করতে দেয়া হবে।
গত বুধবার, জাতীয় জোটের মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে শুক্রবার (১৩ মার্চ) থেকে কার্যকরভাবে মালয়েশিয়া ইটালিয়ান, ইরানীয় এবং দক্ষিণ কোরিয়ানদের প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে৷


No comments