মালয়েশিয়ার লকডাউন অর্ডার আরও বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই জরুরীঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডাঃ নুর হিশাম আব্দুল্লাহ বলেছেন, চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এম'সি'ও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ আসন্ন রমজানের আগে পর্যন্ত বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়াটা খুবই জরুরী। বর্তমানে

 টানা ১ মাসের লকডাউন চলছে যা গত ১৮ই মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৩১ মার্চ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২য় মেয়াদে তা বাড়িয়ে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।
এপ্রিলের ১ম সপ্তাহে আমরা বুঝতে পারবো যে এমসিও বা লকডাউনের মাধ্যমে কিভাবে উন্নতি করেছে বা আমাদের লকডাউন এর ফলাফল কতটুকু ইতিবাচক হয়েছে তা জানতে পারবো। যদি আমরা বুঝতে পারি যে আক্রান্ত হার কমে গেছে বা সমতল অবস্থানে এসেছে তাহলে আমরা নিরাপদভাবেই একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারি। নূর হিশাম বেশ গুরুত্ব সহকারে বলেছেন যে, এই লকডাউন

 পরিস্থিতিতে আমাদের সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ও মেনে চলা এবং ভিড়ের জায়গা গুলো এড়িয়ে সবচেয়ে অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷
দেশের বসবাসরত সকল বাসিন্দারা যদি রমজান এর বাজার উপভোগ করতে চায় বা রমজান মাসকে আগের মতই ইবাদাত ও উৎসবমুখরভবে পালন করতে চায় তাহলে অবশ্যই সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধির নিয়মনীতি গুলো কঠোরভাবে মেনে চলার মাধ্যমে নিজেকে সবসময় জীবানুমুক্ত রাখা নিশ্চিত করতে হবে। চলমান এক মাসের মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার শেষ হতে আরও ২ সপ্তাহ বাকি আছে, আমরা আশা করব এই দুই সপ্তাহ লোকজন নিজেদের বাসায় অবস্থানের মাধ্যমে ইতিবাচক অংশগ্রহণ ধারাবাহিক ভাবে বজায় রাখবে যেখানে আমরা প্রতিদিন জনগণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে

 যাওয়ার মাধ্যমে কারা কোয়ারেন্টাইনে থাকবে আর কারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিবে এবং কারা জরুরী চিকিৎসা সেবা পেতে পারে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারছি। তবে আমরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে আক্রান্তের হার অনেক কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি।
আরও পড়তে পারেন
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কয়েক লক্ষ শ্রমিকের জীবন ঝুঁকিতে, একই রুমে গাদাগাদি অবস্থা, করোনার ঝুঁকি নিয়ে কাজে যেতে বাধ্য করছে অনেক কোম্পানি।
👇
মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ঃ শ্রমিকদের বেতন প্রস্তুত করতে দুইজন এইচ'আর কর্মকর্তাকে অফিসে যাওয়া নির্দেশ।
👇
কোম্পানি মালিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেবে মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান

আর যদি তা না হয় তবে জেপি মরগান এবং মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভবিষ্যদ্বাণীটি হ'ল এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আমরা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে যাবো।

অবশ্য এই দুটি সংস্থা পূর্বেই এই ধারনা করেছিল যে মালয়েশিয়ার কোভিড -১৯ এ ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার জন আক্রান্ত হতে পারে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.