কন্সট্রাকশন সেক্টর পুনরায় চালু, তবে শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করা হবে। বিস্তারিত
মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের পর থেকে ১১টি প্রয়োজনীয় পরিষেবা যথারীতি চালু করার অনুমতি দিয়েছিল। তবে এম'সি'ও এর প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নকালে নির্মাণ ও অন্যান্য বেশ কয়েকটি ব্যবসাসহ অন্যান্য
খাতে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। পাঁচ দিন আগে শুরু হওয়া লকডাউনের তৃতীয় পর্বের জন্য সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের (এমআইটিআই) মাধ্যমে নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ও প্রকৌশল এবং শিল্প কাজ ও যন্ত্রপাতি ব্যবসায়কে ফিরিয়ে আনার জন্য আরও অন্যান্য খাতকে পুনরায় চালুর অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রনালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে, এম'সি'ওর ৩য় পর্যায় চলাকালীন অতিরিক্ত তিনটি সেক্টর পরিচালনার জন্য সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে যাতে করে আনুমানিক দুই মিলিয়ন লোকের চাকরি অব্যাহত হচ্ছে এবং চলমান পরিস্থিতিতে এটা স্থানীয় অর্থনীতিতে শক্তি জোরদার করবে।
আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী কন্সট্রাকশন বা নির্মাণ সেক্টর পুনরায় পরিচালনায় শ্রমিকদের কাজ শুরু করার সুযোগ দেয়ার সাথে সাথে শেয়ারের সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০.৭৯ উন্নিত হয়েছে এবং এতে দেখা যায় ৪৬ টি উন্নিতে হয়েছে এবং ৮ টি শেয়ার নিচে নেমে গেছে এবং ১১৪.৭৪ মিলিয়ন শেয়ারের সাথে ১৬৬.৭৮ মিলিয়ন শেয়ারের লেনদেন হয়েছিল শুক্রবার বন্ধ হওয়া সত্বেও।
গবেষণা ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী ইতিমধ্যে, সার্বা ডাইনামিক, সানওয়ে কনস্ট্রাকশন এবং ক্রেস্ট বিল্ডারের মতো স্টকগুলোর দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে ক্রয় এবং এর উপযুক্ত ফলাফল সম্পর্কে আশা প্রকাশ করছে। দেশে চলমান বহু-বিলিয়ন রিংগিত নির্মাণ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বান্দার মালয়েশিয়া, এম'আর'টি সুংগাই বুলোহ-সারডাং-পুত্রজায়ার পাশাপাশি সারা দেশব্যাপী শত শত উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
এম'সি'ও এর ৩য় ধাপে এই খাতটি পুনরায় চালু হওয়ার সাথে সাথে, এই নির্মাণ প্রকল্পগুলোর কার্যকলাপের শুরু হওয়ার সাথে সাথে তা আবার কর্ম চঞ্চল হয়ে উঠবে পাশাপাশি কোভিড-১৯ এর কারণে প্রকল্পের সাথে জড়িত ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পাশাপাশি ১.৩ মিলিয়ন নির্মাণ শ্রমিকের ভাগ্যের চাকা পুনরায় সচল হবে। মালয়েশিয়ার পরিসংখ্যান অধিদফতরের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, নির্মাণ খাতে জড়িত ১১.৮ শতাংশ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯.৮ শতাংশ শতাংশ শ্রমিক কোন বেতন ছাড়াই ছুটিতে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তাদের বেশিরভাগই বি 40 গ্রুপ বা নিম্ন বিত্তের লোকজন রয়েছে, যারা দৈনিক মজুরি হিসেবে উপার্জন করে এবং তাদের মধ্যে অনেক বিদেশী কর্মীও ছিলেন। তবে এমসির এই সময়কালে ধীরে ধীরে বেশ কয়েকটি খাত ব্যবসায়ের জন্য পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তের পিছনে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলি রয়ে গেছে, যা আসলে কতটা নিরাপদ হবে?
আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই সেক্টরের অধীনে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (SOP) অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। এর কার্যক্রমগুলো অনুমোদনের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দ্বারা নির্ধারিত স্তর ভিত্তিক শর্তগুলোর উপর সম্মতির উপরও নির্ভর করে যা এমসিও চলাকালীন সময়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করার সময় কোম্পানিগুলো দ্বারা গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে বলে ঐ বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের (MITI) মন্ত্রী দাতুশ্রী মোহাম্মদ আজমিন আলী SOP অমান্যকারী কোম্পানিগুলোকে কঠোর সতর্কতা জারি করে বলেছিলেন যারা এটা মেনে চলতে ব্যর্থ হবে তাদের অনুমোদন প্রত্যাহার করা হবে। যদিও মন্ত্রণালয়ের সাথে জড়িত কোম্পানিগুলো আবার ব্যবসা শুরু করার বিষয়ে আশাবাদী, তবুও মালয়েশিয়ানরা সাধারণত সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন, বিশেষত দেশের সামগ্রিক COVID-19 পরিস্থিতির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং নির্মাণ শ্রমিকদের নতুন বড় কোন গ্রুপ বা ক্লাস্টারের সম্ভাব্য উত্থানের বিষয়ে খুবই দুশ্চিন্তা লক্ষ্য করা গেছে।
এর কারণ হচ্ছে, নির্মাণ সেক্টরে আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিক এবং বৈধ শ্রমিকের বড় একটি অংশ জড়িত। অতএব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারা COVID-19-এ যারা সংক্রামিত হয়েছিল তাদের আরও কঠোরভাবে শনাক্ত করার পাশাপাশি তাদের আলাদাভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। ২০১৯ সালে অনুমান করা হয়েছিল যে, মালয়েশিয়াতে প্রায় ছয় মিলিয়ন বিদেশী কর্মী বা দেশের ৩২.৬ মিলিয়ন জনসংখ্যার ১৮.৬ শতাংশ রয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় প্রায় ২২.২ মিলিয়ন বিদেশী কর্মী ডকুমেন্টেড বা বৈধ নিযুক্ত রয়েছেন আর বাকিরা আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অবস্থায় রয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন
👇
সিঙ্গাপুর সরকার প্রবাসীদের প্রতিদিন বিনামূল্যে খাবার দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন। প্রতিটি কর্মীর দরজায় খাবার যাচ্ছে।
👇
সুখবর দিলেন ডাঃ নুর হিশাম, "মালয়েশিয়াতে বিদেশী কর্মীদের কোন গ্রুপ আক্রান্ত বা নতুন ক্লাস্টার শনাক্ত হয়নি"
👇
মালয়েশিয়াতে লকডাউন লংঘন করায় ৬ জন রোহিঙ্গা গ্রেফতার, পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি।
সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বেসরকারী সংস্থা যেমন মার্সি মালয়েশিয়া এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দার হুমকি যতই নিকটবর্তী হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় অর্থনীতির সাথে জড়িত উল্লেখযোগ্য সেক্টর সতর্কতার সাথে ও পরিকল্পিত উদ্যোগ গুলো অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগত অর্থনৈতিক ঝড় মোকাবেলা করতে হবে।
অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে সাফল্যের সাথে কোভিড-১৯ এবং এর সাথে সম্পর্কিত যে কোনও প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সাথে বিশ্বে জন্য একটি ভ্যাকসিন খুঁজে পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে যেতে হবে যা বছর খানেক পর পাওয়া যেতে পারে।
তথ্যসূত্রঃ বারনামা
খাতে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। পাঁচ দিন আগে শুরু হওয়া লকডাউনের তৃতীয় পর্বের জন্য সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের (এমআইটিআই) মাধ্যমে নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ও প্রকৌশল এবং শিল্প কাজ ও যন্ত্রপাতি ব্যবসায়কে ফিরিয়ে আনার জন্য আরও অন্যান্য খাতকে পুনরায় চালুর অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রনালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে, এম'সি'ওর ৩য় পর্যায় চলাকালীন অতিরিক্ত তিনটি সেক্টর পরিচালনার জন্য সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে যাতে করে আনুমানিক দুই মিলিয়ন লোকের চাকরি অব্যাহত হচ্ছে এবং চলমান পরিস্থিতিতে এটা স্থানীয় অর্থনীতিতে শক্তি জোরদার করবে।
আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী কন্সট্রাকশন বা নির্মাণ সেক্টর পুনরায় পরিচালনায় শ্রমিকদের কাজ শুরু করার সুযোগ দেয়ার সাথে সাথে শেয়ারের সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০.৭৯ উন্নিত হয়েছে এবং এতে দেখা যায় ৪৬ টি উন্নিতে হয়েছে এবং ৮ টি শেয়ার নিচে নেমে গেছে এবং ১১৪.৭৪ মিলিয়ন শেয়ারের সাথে ১৬৬.৭৮ মিলিয়ন শেয়ারের লেনদেন হয়েছিল শুক্রবার বন্ধ হওয়া সত্বেও।
গবেষণা ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী ইতিমধ্যে, সার্বা ডাইনামিক, সানওয়ে কনস্ট্রাকশন এবং ক্রেস্ট বিল্ডারের মতো স্টকগুলোর দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে ক্রয় এবং এর উপযুক্ত ফলাফল সম্পর্কে আশা প্রকাশ করছে। দেশে চলমান বহু-বিলিয়ন রিংগিত নির্মাণ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বান্দার মালয়েশিয়া, এম'আর'টি সুংগাই বুলোহ-সারডাং-পুত্রজায়ার পাশাপাশি সারা দেশব্যাপী শত শত উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
এম'সি'ও এর ৩য় ধাপে এই খাতটি পুনরায় চালু হওয়ার সাথে সাথে, এই নির্মাণ প্রকল্পগুলোর কার্যকলাপের শুরু হওয়ার সাথে সাথে তা আবার কর্ম চঞ্চল হয়ে উঠবে পাশাপাশি কোভিড-১৯ এর কারণে প্রকল্পের সাথে জড়িত ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পাশাপাশি ১.৩ মিলিয়ন নির্মাণ শ্রমিকের ভাগ্যের চাকা পুনরায় সচল হবে। মালয়েশিয়ার পরিসংখ্যান অধিদফতরের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, নির্মাণ খাতে জড়িত ১১.৮ শতাংশ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯.৮ শতাংশ শতাংশ শ্রমিক কোন বেতন ছাড়াই ছুটিতে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তাদের বেশিরভাগই বি 40 গ্রুপ বা নিম্ন বিত্তের লোকজন রয়েছে, যারা দৈনিক মজুরি হিসেবে উপার্জন করে এবং তাদের মধ্যে অনেক বিদেশী কর্মীও ছিলেন। তবে এমসির এই সময়কালে ধীরে ধীরে বেশ কয়েকটি খাত ব্যবসায়ের জন্য পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তের পিছনে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলি রয়ে গেছে, যা আসলে কতটা নিরাপদ হবে?
এই সিদ্ধান্তের ফলে লোকেরা কোভিড-১৯ সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে পড়বে না তো?
আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই সেক্টরের অধীনে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (SOP) অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। এর কার্যক্রমগুলো অনুমোদনের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দ্বারা নির্ধারিত স্তর ভিত্তিক শর্তগুলোর উপর সম্মতির উপরও নির্ভর করে যা এমসিও চলাকালীন সময়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করার সময় কোম্পানিগুলো দ্বারা গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে বলে ঐ বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের (MITI) মন্ত্রী দাতুশ্রী মোহাম্মদ আজমিন আলী SOP অমান্যকারী কোম্পানিগুলোকে কঠোর সতর্কতা জারি করে বলেছিলেন যারা এটা মেনে চলতে ব্যর্থ হবে তাদের অনুমোদন প্রত্যাহার করা হবে। যদিও মন্ত্রণালয়ের সাথে জড়িত কোম্পানিগুলো আবার ব্যবসা শুরু করার বিষয়ে আশাবাদী, তবুও মালয়েশিয়ানরা সাধারণত সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন, বিশেষত দেশের সামগ্রিক COVID-19 পরিস্থিতির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং নির্মাণ শ্রমিকদের নতুন বড় কোন গ্রুপ বা ক্লাস্টারের সম্ভাব্য উত্থানের বিষয়ে খুবই দুশ্চিন্তা লক্ষ্য করা গেছে।
এর কারণ হচ্ছে, নির্মাণ সেক্টরে আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিক এবং বৈধ শ্রমিকের বড় একটি অংশ জড়িত। অতএব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারা COVID-19-এ যারা সংক্রামিত হয়েছিল তাদের আরও কঠোরভাবে শনাক্ত করার পাশাপাশি তাদের আলাদাভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। ২০১৯ সালে অনুমান করা হয়েছিল যে, মালয়েশিয়াতে প্রায় ছয় মিলিয়ন বিদেশী কর্মী বা দেশের ৩২.৬ মিলিয়ন জনসংখ্যার ১৮.৬ শতাংশ রয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় প্রায় ২২.২ মিলিয়ন বিদেশী কর্মী ডকুমেন্টেড বা বৈধ নিযুক্ত রয়েছেন আর বাকিরা আনডকুমেন্টেড বা অবৈধ অবস্থায় রয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন
👇
সিঙ্গাপুর সরকার প্রবাসীদের প্রতিদিন বিনামূল্যে খাবার দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন। প্রতিটি কর্মীর দরজায় খাবার যাচ্ছে।
👇
সুখবর দিলেন ডাঃ নুর হিশাম, "মালয়েশিয়াতে বিদেশী কর্মীদের কোন গ্রুপ আক্রান্ত বা নতুন ক্লাস্টার শনাক্ত হয়নি"
👇
মালয়েশিয়াতে লকডাউন লংঘন করায় ৬ জন রোহিঙ্গা গ্রেফতার, পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি।
বিদেশি শ্রমিকদের পুনরায় কাজে অন্তর্ভুক্ত করার সাথে সাথে স্বাস্থ্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডাঃ নূর হিশাম আবদুল্লাহর মতে, মালয়েশিয়া এখনও বিদেশী কর্মীদের মধ্যে কোন উল্লেখযোগ্য কোভিড-১৯ বড় কোন গ্রুপের বা ক্লাস্টারের সংক্রমণ দেখতে পায়নি।তিনি আরও বলেছেন যে, বিদেশী কর্মী ও শরণার্থীদের COVID-19 প্রতিরোধমূলক ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থাগুলোর অধীনে তাদেরকেসুরক্ষিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বেসরকারী সংস্থা যেমন মার্সি মালয়েশিয়া এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দার হুমকি যতই নিকটবর্তী হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় অর্থনীতির সাথে জড়িত উল্লেখযোগ্য সেক্টর সতর্কতার সাথে ও পরিকল্পিত উদ্যোগ গুলো অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগত অর্থনৈতিক ঝড় মোকাবেলা করতে হবে।
অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে সাফল্যের সাথে কোভিড-১৯ এবং এর সাথে সম্পর্কিত যে কোনও প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সাথে বিশ্বে জন্য একটি ভ্যাকসিন খুঁজে পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে যেতে হবে যা বছর খানেক পর পাওয়া যেতে পারে।
তথ্যসূত্রঃ বারনামা


No comments