মালয়েশিয়ার উপমন্ত্রীর লকডাউন আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে, ফেসবুকে ভাইরাল। বিস্তারিত

মন্ত্রীরা এবং উপ-মন্ত্রীরা ইচ্ছাকৃতভাবে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ আদেশের (এমসিও) লঙ্ঘন করলে আইনের আওতায় থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিভাগের মন্ত্রী দাতুক তকিয়ুদ্দিন হাসান। তিনি
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মন্ত্রী দাতু তকিউদ্দিন হাসান, File photo: Malay Mail       
বলেছিলেন যে কোনও মন্ত্রী বা ডেপুটি মন্ত্রীর মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে গনজমায়েত মূলক অনুষ্ঠান যদি হয়ে থাকে তাহলে থাকে আর যদি সেটক সত্যি হয় তবে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করে। মন্ত্রীসহ দেশের সকল ব্যক্তিই আইনের অধীনে, কেউ আইনের উর্ধে নয়। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বড় ধরনের এম'সি'ও লঙ্ঘন হয়, যদি তা স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন পদ্ধতির পরিপন্থী হয়ে হয়ে থাকে তাহলে

পদক্ষেপ নেয়া উচিত তবে তা এর মাত্রার উপর নির্ভর করে। মন্ত্রীরা কোভিড -১৯ এর  সাথে সম্পৃক্ত ইস্যুগুলি নিয়ে প্রতিদিন আলাপ আলোচনার সাক্ষাৎ করেন, বিভিন্ন সভায় যোগ দেন। সভাগুলোর পরে কিছু
আরও সামাজিক বিশ্লেষণ ও সামাজিক জরিপসহ বিভিন বিষয় চেক করার প্রয়োজন পড়ে।
উদাহরণস্বরূপ, একজন মন্ত্রীর সফরের মধ্যে এমন মতামতের বিষয় ও সংক্ষিপ্তসার জড়িত যা অবশ্যই অনুসন্ধান করা উচিত করা উচিত বলে জানান তিনি।

তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, কোতা ভারু অঞ্চলের কোতা দারুল নাইম কমপ্লেক্সে মন্ত্রী দাতুক আহমদ ইয়াকুবের সভাপতিত্বে প্রাদেশিক পর্যায়ের জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিলের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 গতকাল, একজন উপমন্ত্রী চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার এর নিয়ম পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল একটি কার্যকরী সফরের পর মন্ত্রীসহ আরও অনেক লোক একসাথে জড়ো হয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে খাওয়া দাওয়া করতে দেখা গেছে। যা বর্তমানে মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ভাইরাল হয়েছে এবং দেশের সাধারণ জনগণ এটা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে দেখা গেছে৷

 তথ্যসুত্রঃ- বার্নামা


No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.