দুঃসংবাদঃ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে অবৈধদের ধরে বিশেষ কারাগারে পাঠানো হবে! প্রতিরক্ষামন্ত্রী
মালয়েশিয়াতে যেসব এলাকায় জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার জারি করার মাধ্যমে কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে অতিরিক্ত বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সেসব অঞ্চলে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ইমিগ্রেশন ক্যাম্প অথবা মালয়েশিয়ার বিশেষ কারাগারে পাঠানো হবে হবে বলে
জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার সিনিয়র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বেশ কিছু জায়গা করোনার ঝুঁকি পূর্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। যেখান থেকে কাউকে বের হতে দেয়া হয়নি। একে একে সবাইকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বাছাই করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে
জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার তুলে ফেলার সাথে সাথে এলাকাগুলোতে বসবাসকারী অবৈধদের খুজে বের করে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোতে পাঠানো হবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তাদেরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন গেজেটভুক্ত ১১ টি বিশেষ
কারাগারে পাঠানো হবে। উদাহরণস্বরূপ, সেলাংয়ের তামান মুরানি এলাকা এখনও জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (EMCO) er অধীনে রয়েছে। এই এলাকাতে বসবাসরত সকল অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের বাছাই করে আটক করা হবে তারপর তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে প্রেরন করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশের এম'সি'ও চলাকালীন সার্বিক পরিস্থিতি সর্বশেষ তথ্য জানানোর জন্য প্রতিদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আজ এসব কথা বলেন।
যদি ইমিগ্রেশনের ডিটেনশন ক্যাম্প গুলোতে স্থান সংকুলান না হয় তাহলে প্রয়োজনভেদে তাদেরকে নতুন গেজেট ভুক্ত ১১টি বিশেষ অস্থায়ী কারাগারে পাঠানো হবে যা এম'সি'ও বা লকডাউন আইন লংঘনকারীদের কারাদন্ড দেয়ার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অস্থায়ী কারাগার গুলোতে গত ২৩ শে এপ্রিল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়েছে।
জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার সিনিয়র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বেশ কিছু জায়গা করোনার ঝুঁকি পূর্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। যেখান থেকে কাউকে বের হতে দেয়া হয়নি। একে একে সবাইকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বাছাই করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে
জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার তুলে ফেলার সাথে সাথে এলাকাগুলোতে বসবাসকারী অবৈধদের খুজে বের করে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোতে পাঠানো হবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তাদেরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন গেজেটভুক্ত ১১ টি বিশেষ
কারাগারে পাঠানো হবে। উদাহরণস্বরূপ, সেলাংয়ের তামান মুরানি এলাকা এখনও জরুরী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (EMCO) er অধীনে রয়েছে। এই এলাকাতে বসবাসরত সকল অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের বাছাই করে আটক করা হবে তারপর তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে প্রেরন করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশের এম'সি'ও চলাকালীন সার্বিক পরিস্থিতি সর্বশেষ তথ্য জানানোর জন্য প্রতিদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আজ এসব কথা বলেন।
যদি ইমিগ্রেশনের ডিটেনশন ক্যাম্প গুলোতে স্থান সংকুলান না হয় তাহলে প্রয়োজনভেদে তাদেরকে নতুন গেজেট ভুক্ত ১১টি বিশেষ অস্থায়ী কারাগারে পাঠানো হবে যা এম'সি'ও বা লকডাউন আইন লংঘনকারীদের কারাদন্ড দেয়ার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অস্থায়ী কারাগার গুলোতে গত ২৩ শে এপ্রিল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়েছে।


No comments