মালয়েশিয়ার পুলিশ লকডাউনে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, অতঃপর অভিযোগকারীকে গ্রেফতার।
গতকাল (১০ই এপ্রিল) রাতে আলোর সেতার জোহর-মাউন্ট কেরিয়াং বিচে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা টাকা নিয়েছিল বলে অভিযোগ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়ার পর উল্টো ঐ দুজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
টহল পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ দাবী করে ফেসবুকে পোস্ট করার ২ ঘন্টার মধ্যে ২৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে রাত ১১.৩০ টায় তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তিনি দাবী করেছিলেন যে, এসজেআর নামের একটি খাবার সরবারাহকারী ডেলিভারি করা তার এক বন্ধুর কাছ থেকে পুলিশ টাকা নিয়েছিল। তবে এর কিছুক্ষণ পর লোকটি তার পোস্ট ফেসবুক থেকে ডিলেট করে ফেলেছিল কিন্তু তারপরও তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কোটা সেতার থানার
প্রধান সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রোজি জিদিন বলেছেন, তদন্তে জানা গেছে যে আটককৃত ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার পরই তার ২৬ বছর বয়সী বন্ধুকে জানায় পুলিশ তদন্ত করতে আসলে সে জনে বলে যে পুলিশ তাকে যাচাই করার জন্য তার মানিব্যাগ খুলেছে এবং মানিব্যাগে থাকা টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে পুলিশ। তাঁর মতে, দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে আর তদন্তের জন্য রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে জোহর বিচ ট্র্যাফিক সিগন্যালের রাস্তার পাশের মোড় থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু ২য় ব্যক্তিকে গ্রেফতার পরার পর পুলিশ বুঝতে পারে যে এই লোক মাদকসেবী পরে
তাকে গ্রেফতারের পর যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে গ্রেফতারকৃত ২য় ব্যক্তিটি মালয়েশিয়ার নিষিদ্ধ মাদকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। তিনি আরও বলেন, তদন্তে আরও দেখা গেছে যে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি গত রাতে এসজেআর এলাকায় তদন্ত চলাকালীন সময়ে আমাদের সদস্যদের ছিনতাই করার চালাচ্ছিল আমাদের সদস্যদের ছিনতাই করার চেষ্টা করছিল।
মোহাম্মদ রোজি জানান, দু'জনকেই পরবর্তী বিচারিক কার্যের জন্য নেওয়ার জন্য কোটা সেতার জেলা পুলিশ সদর দফতরে (আইপিডি) নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই মামলাটি মানহানির জন্য দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া আইন ১৯৯৯ এর ২৩৩ ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে আরও সহায়তা জন্য পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের ব্যবহৃত ফোন গুলোও জব্দ করেছে বলে জানান তিনি।
সুত্রঃ মেট্রো ডেইলি
টহল পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ দাবী করে ফেসবুকে পোস্ট করার ২ ঘন্টার মধ্যে ২৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে রাত ১১.৩০ টায় তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তিনি দাবী করেছিলেন যে, এসজেআর নামের একটি খাবার সরবারাহকারী ডেলিভারি করা তার এক বন্ধুর কাছ থেকে পুলিশ টাকা নিয়েছিল। তবে এর কিছুক্ষণ পর লোকটি তার পোস্ট ফেসবুক থেকে ডিলেট করে ফেলেছিল কিন্তু তারপরও তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কোটা সেতার থানার
প্রধান সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রোজি জিদিন বলেছেন, তদন্তে জানা গেছে যে আটককৃত ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার পরই তার ২৬ বছর বয়সী বন্ধুকে জানায় পুলিশ তদন্ত করতে আসলে সে জনে বলে যে পুলিশ তাকে যাচাই করার জন্য তার মানিব্যাগ খুলেছে এবং মানিব্যাগে থাকা টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে পুলিশ। তাঁর মতে, দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে আর তদন্তের জন্য রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে জোহর বিচ ট্র্যাফিক সিগন্যালের রাস্তার পাশের মোড় থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু ২য় ব্যক্তিকে গ্রেফতার পরার পর পুলিশ বুঝতে পারে যে এই লোক মাদকসেবী পরে
তাকে গ্রেফতারের পর যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে গ্রেফতারকৃত ২য় ব্যক্তিটি মালয়েশিয়ার নিষিদ্ধ মাদকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। তিনি আরও বলেন, তদন্তে আরও দেখা গেছে যে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি গত রাতে এসজেআর এলাকায় তদন্ত চলাকালীন সময়ে আমাদের সদস্যদের ছিনতাই করার চালাচ্ছিল আমাদের সদস্যদের ছিনতাই করার চেষ্টা করছিল।
মোহাম্মদ রোজি জানান, দু'জনকেই পরবর্তী বিচারিক কার্যের জন্য নেওয়ার জন্য কোটা সেতার জেলা পুলিশ সদর দফতরে (আইপিডি) নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই মামলাটি মানহানির জন্য দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া আইন ১৯৯৯ এর ২৩৩ ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে আরও সহায়তা জন্য পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের ব্যবহৃত ফোন গুলোও জব্দ করেছে বলে জানান তিনি।
সুত্রঃ মেট্রো ডেইলি


No comments