কুয়ালালামপুরে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানি বসবাসকারী আরও ২ টি ভবন লকডাউন, ১৫ জন আক্রান্ত।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL) এর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার বাংলাদেশ,  ভারত ও পাকিস্তানের হাইকমিশনের সাথে জালান মসজিদ ইন্ডিয়া এলাকার ২ টি ভবনে বসবাসকারী কোভিড-১৯ এ সংক্রমণ সম্পর্কে সুদৃষ্টি দেয়ার জন্য।


মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরির মন্ত্রী তান শ্রী আনুয়ার মুসা বলেছেন, আজ জালান মসজিদ ইন্ডিয়াতে অবস্থিত আরও দুটি ভবন সেনাবাহিনী ও পুলিশ লকডাউন দিয়ে চারপাশে ঘিরে রেখেছে। অতিরিক্ত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ অর্ডারের (EMCO) বাস্তবায়নে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তটি অনুসরণ করে সমস্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তান শ্রী আনোয়ার মূসা আরও বলেন, ভবন ২টি বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের অভিবাসী কর্মীরা বসবাস করেন এবং আমরা অতি শীঘ্রই তাদের হাইকমিশনারগণের সাথে যোগাযোগ করব এবং তাদের দেশের নাগরিকদের বিষয়ে ব্রিফিং দেব৷ ভবন টি আমরা পুরোপুরি লকডাউন করেছি যাতে কেউ বের না হতে পারে, সবাইকে আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে ঘরের মধ্যেই অবস্থান করতে বলা হয়েছে তবে স্থানীয়দের জানানোর পাশাপাশি বাংলা, উর্দু, ও হিন্দি বলতে পারে এমন লোকদের মাধ্যমে

 ভবনে অবস্থানকারীদের কাছে বার্তা পৌছে দেব যাতে করে সবাই শান্ত থাকে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফ্রন্টলাইনে থাকা কর্মীদের কাজে সহযোগিতা করে। আমরা তাদের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন অবশ্যই ধৈর্য্য ধারন করে। একই এলাকায় কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ প্লাজা সিটি ওয়ান বাসিন্দাদের ত্রান বিতরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (ধর্ম বিষয়ক) দাতুক ডাঃ জুলকিফলি মোহামাদ আল-বাকরির অনুদান পাওয়ার পরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তবে ভবনটিতে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশী কেউ আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি এবং এই তিনটি দেশের কতজন কর্মী সেখানে বর্তমানে আটকা পড়েছেন তাও জানা যায়নি।

আনোয়ার মূসা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ধরনের পদক্ষেপে ভবনে বসবাসকারীদের ভয় বা শঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই কারণ আমরা চাই যে, আক্রান্ত ভবনটিতে থাকা সবাই যেন অন্য এলাকায় চলে যেতে না পারে কারণ আক্রান্ত লোকজন অন্য এলাকায় চলে গেলে আরও বেশি লোকজন সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাবে এবং ভাইরাস আরও বিস্তৃত ভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

এই নিউজ গুলো পড়তে পারেন 👇
👇
ইতালি ফেরত মালয়েশিয়ার নাগরিকের মাধ্যমে আবারও ৩য় ধাপে মহামারী রুপ নিতে পারে কোভিড-১৯ বলেছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক
👇
সিঙ্গাপুরে কয়েক হাজার বাংলাদেশীর জীবন ঝুঁকিতে, গাদাগাদি করে থাকার ফলেই ৭৪ বাংলাদেশী আক্রান্ত।
👇
মালয়েশিয়াতে আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমেছে, আজ ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০,

 তিনি আরও বলেন, এখনো পর্যন্ত  শ্রী পেটালিং, মসজিদ  ইন্ডিয়া এবং সেলায়াং হোলসেল মার্কেট ব্যতীত ফেডারেল টেরিটরি কুয়ালালামপুরে আর নতুন করে অন্য কোন অঞ্চল কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঘটনা পাওয়া যায়নি।

 একই এলাকার মুন্সী আবদুল্লাহ রোডের সিটি ওয়ান প্লাজার পর জালান মসজিদ ইন্ডিয়ার দুটি বিল্ডিং সেলাঙ্গর ম্যানশন ও মালায়ান ম্যানশনে ১৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাধ্যমে লকডাউন করে বাসিন্দাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

 - বার্নামা

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.