মালয়েশিয়াঃ "আগামী ঈদ উৎসব না করার প্রস্তুতি নিন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি" প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন।
মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন ঘোষণা করেছিলেন যে, করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এম'সি'ও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ লকডাউন দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যকর করার প্রয়োজন হলে আগামী ঈদ উৎসব বা হারি রায়া উদযাপন না করতে পারার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
তাঁর মতে, প্রকৃতপক্ষে করোনা প্রাদুর্ভাবের বিস্তার শতভাগ সমাধান হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। তিনি আরও বলেছিলেন যে, এই সময়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লুএইচও) সুপারিশের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ যে বিশ্বের দেশগুলি লকডাউন খুব তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারবেনা। সামনে রমজান মাস আসছে শীঘ্রই। আমরা ইফতার কেনার জন্য বাইরে আগের মত যেতে পারবোনা, ঐতিহ্যগত ইফতার বাজার দেখবোনা। যেতে পারবোনা মসজিদের ইফতারে অংশগ্রহণ করতে। সুতরাং পরিবারের সদস্যদের
নিয়েই এগুলো করা উচিত হবে। তবে যারা শহর থেকে গ্রামে ফিরতে পারছিনা তারাও বাসায় অবস্থান করেই পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে যা উল্লেখ করতে চাই তা হল, আমাদের অবশ্যই এই কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি গত ১০ ই এপ্রিল টেলিভিশনে সরাসরি প্রচারিত কোভিড -১৯ এর একটি বিশেষ বার্তায় এসব কথা বলেন। মালয়েশিয়ার মুসলমানগণ আগামী ২৪ শে এপ্রিল প্রথম রোজাটি রাখার মাধ্যমে সিয়াম সাধন শুরু করবেন এবং আগামী মাসের ২৪ মে হারি রায়া বা ইদুল ফিতর উৎসব উদযাপন
করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন বলেছেন, যদিও এটি কল্পনা করা অনেক কঠিন ও কষ্টদায়ক যে, কোভিড -১৯-এর প্রাদুর্ভাব রোধ করতে আজ মালয়েশিয়ানরা ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে চলেছেন। এটা ভাবতেও কষ্ট লাগে। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব এটি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার কাছে দেশের সকল ভাই-বোনদের জীবন সবকিছুর উর্ধ্বে। দেশের সকলের জান মালের নিরাপত্তা ও রক্ষার দায়িত্বটি আমার উপরেই। প্রতিটি জীবনই মূল্যবান।
শিশু, যুবক, প্রাপ্তবয়স্ক বা প্রবীণ সকল শ্রেণির মানুষের সেবাই আমার একমাত্র কাজ। এই ভাইরাসের কারণে প্রাণ হারানোর অর্থ কেবল আমাদের স্ত্রী, সন্তান, শিশু বা পরিবারকে হারানো নয়, প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের জন্য এটি একটি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি। তাই, আসুন আমরা আমাদের নিজের পরিবার এবং আমাদের লোকদের যত্ন নেই এবং মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলি।
তিনি আরও বলেছিলেন, দেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও আমরা অনুমান করতে পারি যে খুব শীঘ্রই এটি মোকাবেলা করতে সক্ষম হব। আমরা চাই দেশের জনগণ কষ্ট সহ্য করে হলেও এই দীর্ঘ সময় ঘরে অবস্থান করুক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রদত্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলি।
আরও নিউজ পড়ুন
👇
মালয়েশিয়াতে বিরাট এক মাদক সিন্ডিকেট গ্রেফতার, ৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৬ রিঙ্গিত জব্দ।
👇
মালয়েশিয়ার লকডাউন আইন লঙ্ঘন, রাস্তায় নেমে নাচানাচি, উল্লাস ও মদ্যপানে লিপ্ত হওয়ায় গ্রেফতার ৬২ জন
সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে একে অপরের সহযোগিতা কামনা করি। সবসময় নিজেকে জীবানুমুক্ত রাখার জন্য স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করি। সকল স্বাস্থ্য বিধি গুলো স্বাভাবিক জীবনের সাথে আয়ত্ত করে ফেলতে হবে। তাহলে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। তিনি আরও একটি কথা বলেছিলেন যা অনেকেরই হৃদয়ে নাড়া দিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি, আমাকে মনে করিয়ে দিতে দিন যে, কোভিড-১৯ যুদ্ধ এখনো চলছে। সুতরাং আপনার ভিতরটাকে জাগ্রত করুন, যুদ্ধ চালিয়ে যান। যদি আমরা তা করতে পারি। ইন শা আল্লাহ, আমরা জয়ী হব।
আরও পড়ুন
ভিডিও কনফারেন্সে মহিউদ্দিন, জানালেন মালয়েশিয়ার করোনা পরিস্থিতির উন্নতি কিভাবে করেছেন।
তাঁর মতে, প্রকৃতপক্ষে করোনা প্রাদুর্ভাবের বিস্তার শতভাগ সমাধান হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। তিনি আরও বলেছিলেন যে, এই সময়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লুএইচও) সুপারিশের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ যে বিশ্বের দেশগুলি লকডাউন খুব তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারবেনা। সামনে রমজান মাস আসছে শীঘ্রই। আমরা ইফতার কেনার জন্য বাইরে আগের মত যেতে পারবোনা, ঐতিহ্যগত ইফতার বাজার দেখবোনা। যেতে পারবোনা মসজিদের ইফতারে অংশগ্রহণ করতে। সুতরাং পরিবারের সদস্যদের
নিয়েই এগুলো করা উচিত হবে। তবে যারা শহর থেকে গ্রামে ফিরতে পারছিনা তারাও বাসায় অবস্থান করেই পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে যা উল্লেখ করতে চাই তা হল, আমাদের অবশ্যই এই কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি গত ১০ ই এপ্রিল টেলিভিশনে সরাসরি প্রচারিত কোভিড -১৯ এর একটি বিশেষ বার্তায় এসব কথা বলেন। মালয়েশিয়ার মুসলমানগণ আগামী ২৪ শে এপ্রিল প্রথম রোজাটি রাখার মাধ্যমে সিয়াম সাধন শুরু করবেন এবং আগামী মাসের ২৪ মে হারি রায়া বা ইদুল ফিতর উৎসব উদযাপন
করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন বলেছেন, যদিও এটি কল্পনা করা অনেক কঠিন ও কষ্টদায়ক যে, কোভিড -১৯-এর প্রাদুর্ভাব রোধ করতে আজ মালয়েশিয়ানরা ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে চলেছেন। এটা ভাবতেও কষ্ট লাগে। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব এটি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার কাছে দেশের সকল ভাই-বোনদের জীবন সবকিছুর উর্ধ্বে। দেশের সকলের জান মালের নিরাপত্তা ও রক্ষার দায়িত্বটি আমার উপরেই। প্রতিটি জীবনই মূল্যবান।
শিশু, যুবক, প্রাপ্তবয়স্ক বা প্রবীণ সকল শ্রেণির মানুষের সেবাই আমার একমাত্র কাজ। এই ভাইরাসের কারণে প্রাণ হারানোর অর্থ কেবল আমাদের স্ত্রী, সন্তান, শিশু বা পরিবারকে হারানো নয়, প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের জন্য এটি একটি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি। তাই, আসুন আমরা আমাদের নিজের পরিবার এবং আমাদের লোকদের যত্ন নেই এবং মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলি।
তিনি আরও বলেছিলেন, দেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও আমরা অনুমান করতে পারি যে খুব শীঘ্রই এটি মোকাবেলা করতে সক্ষম হব। আমরা চাই দেশের জনগণ কষ্ট সহ্য করে হলেও এই দীর্ঘ সময় ঘরে অবস্থান করুক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রদত্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলি।
আরও নিউজ পড়ুন
👇
মালয়েশিয়াতে বিরাট এক মাদক সিন্ডিকেট গ্রেফতার, ৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৬ রিঙ্গিত জব্দ।
👇
মালয়েশিয়ার লকডাউন আইন লঙ্ঘন, রাস্তায় নেমে নাচানাচি, উল্লাস ও মদ্যপানে লিপ্ত হওয়ায় গ্রেফতার ৬২ জন
সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে একে অপরের সহযোগিতা কামনা করি। সবসময় নিজেকে জীবানুমুক্ত রাখার জন্য স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করি। সকল স্বাস্থ্য বিধি গুলো স্বাভাবিক জীবনের সাথে আয়ত্ত করে ফেলতে হবে। তাহলে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। তিনি আরও একটি কথা বলেছিলেন যা অনেকেরই হৃদয়ে নাড়া দিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি, আমাকে মনে করিয়ে দিতে দিন যে, কোভিড-১৯ যুদ্ধ এখনো চলছে। সুতরাং আপনার ভিতরটাকে জাগ্রত করুন, যুদ্ধ চালিয়ে যান। যদি আমরা তা করতে পারি। ইন শা আল্লাহ, আমরা জয়ী হব।
আরও পড়ুন
ভিডিও কনফারেন্সে মহিউদ্দিন, জানালেন মালয়েশিয়ার করোনা পরিস্থিতির উন্নতি কিভাবে করেছেন।


No comments