কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া, কুয়ালালামপুরে ৪৪ টি দোকান বন্ধ করেছে ডিবিকেএল! পড়ুন বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) চলতি মাসে শুরু হওয়া অভিযানে বিদেশীদের দ্বারা পরিচালিত ৪৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। যার বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের।
কুয়ালালামপুরের মেয়র দাতু নুর হিশাম আহমদ ডাহলান বলেছেন, অনুমোদন ছাড়াই বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালুত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অকার্যকর করা হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদেশি নাগরিকেরা এসব ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে তারা ডিবিকেল দ্বারা নির্ধারিত বিধিমালা মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে। বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বৈধ লাইসেন্স নেই।
স্থানীয় সরকার আইন 1976 এর ধারা 101 (1) (v) এর অধীনে এ জাতীয় সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল জব্দ করে সিলগালা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন এই আইনের অধীনে বিদেশিদের ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পুর্ন মালামাল জব্দ করার পাশাপাশি ৫১ টি প্রতিষ্ঠান অন্যান্য এলাকায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
কুয়ালালামপুর সিটি হলের লাইসেন্স বিভাগ বিদেশিদের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নজরদারিতে রেখেছে। বিদেশীরা নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে সব কিছু যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানান তিনি। বিদেশিএয়া কোথায় কোন অনিয়ম করছে কিনা, দেশের আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করলে দেশের স্থানীয় নাগরিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলেছেন তিনি।
এদিকে অন্যান্য সুত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া প্রতিটি রাজ্যের সকল পৌরসভা কাউন্সিল এর ট্রেড লাইসেন্স বিভাগ এই ধরনের অভিযান জোরদার ও অব্যাহত রেখেছে। মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলায় বহুসংখ্যক বাংলাদেশীদের দোকান সহ পাকিস্তানি, ভারতীয় ও রোহিঙ্গাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।
ক্লাং জেলায় গত ১ সপ্তাহের অভিযানে প্রায় ৪৯ টির বেশি দোকান বন্ধ করে বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্লাং জেলা শিল্প কারখানার শ্রমিক বেশি হওয়ায় বাংলাদেশীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেড়ে গেছে এবং মালয়েশিয়ার আইনের তোয়াক্কা না করেই ফুটপাত সহ বিভিন্ন দোকানে ব্যবসা করছিলেন বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী।
কুয়ালালামপুরের মেয়র দাতু নুর হিশাম আহমদ ডাহলান বলেছেন, অনুমোদন ছাড়াই বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালুত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অকার্যকর করা হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদেশি নাগরিকেরা এসব ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে তারা ডিবিকেল দ্বারা নির্ধারিত বিধিমালা মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে। বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বৈধ লাইসেন্স নেই।
স্থানীয় সরকার আইন 1976 এর ধারা 101 (1) (v) এর অধীনে এ জাতীয় সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল জব্দ করে সিলগালা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন এই আইনের অধীনে বিদেশিদের ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পুর্ন মালামাল জব্দ করার পাশাপাশি ৫১ টি প্রতিষ্ঠান অন্যান্য এলাকায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
কুয়ালালামপুর সিটি হলের লাইসেন্স বিভাগ বিদেশিদের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নজরদারিতে রেখেছে। বিদেশীরা নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে সব কিছু যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানান তিনি। বিদেশিএয়া কোথায় কোন অনিয়ম করছে কিনা, দেশের আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করলে দেশের স্থানীয় নাগরিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলেছেন তিনি।
এদিকে অন্যান্য সুত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া প্রতিটি রাজ্যের সকল পৌরসভা কাউন্সিল এর ট্রেড লাইসেন্স বিভাগ এই ধরনের অভিযান জোরদার ও অব্যাহত রেখেছে। মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলায় বহুসংখ্যক বাংলাদেশীদের দোকান সহ পাকিস্তানি, ভারতীয় ও রোহিঙ্গাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।
ক্লাং জেলায় গত ১ সপ্তাহের অভিযানে প্রায় ৪৯ টির বেশি দোকান বন্ধ করে বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্লাং জেলা শিল্প কারখানার শ্রমিক বেশি হওয়ায় বাংলাদেশীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেড়ে গেছে এবং মালয়েশিয়ার আইনের তোয়াক্কা না করেই ফুটপাত সহ বিভিন্ন দোকানে ব্যবসা করছিলেন বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী।


No comments