মালয়েশিয়ার কর্মীদের বেতন থেকে প্রতিমাসে ৫০ রিঙ্গিত কাটার পরামর্শ দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যদি সোকসো নিবন্ধিত না থাকে।
মালয়েশিয়ার প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানাগুলোকে পুনরায় কার্যক্রম চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে তবে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে ও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বেধে দেয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে সরকারের তরফ থেকে সকল কর্মীদের কোভিড-১৯ এর হেলথ স্ক্রিনিং টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতিটি কোম্পানিতে কর্মরত সকল দেশি ও অভিবাসী
কর্মীদের এই হেলথ স্ক্রিনিং এর আওতায় আসতে হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে শ্রমিকদের গনহারে এই টেস্ট এর ব্যয় নির্ধারণ ও এর ব্যয় বহন করা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে সমালোচনা ও পর্যালোচনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি জানিয়েছিলেন কোম্পানি মালিকদেরকে এই স্ক্রিনিং টেস্ট এর খরচ বহন করার জন্য। কিন্তু মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ কোম্পানিই এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেনি।
কোম্পানি মালিকদের তরফ থেকে সরকারকেই এই খরচ বহন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়া মালিক সমিতি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়েছিল।
এদিকে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান জানিয়েছেন, যেসব কোম্পানি মালিকগণ সামাজিক সুরক্ষা কাউন্সিল (সোকসো) এর মাধ্যমে তাদের শ্রমিকদের নিবন্ধন করেছিলেন তাদেরকে কোভিড-১৯ এর টেস্ট এর ব্যয় সোকসো বহন করবে এবং যারা সোকসোতে নিবন্ধন করেননি তারা নিজ খরচেই এটা করতে হবে৷ তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি মালিকদের পরামর্শ দেন যে কোভিড-১৯ এর খরচ শ্রমিকদের বেতন থেকেই কেটে নিতে পারে।
তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ৫০ রিঙ্গিত করে কেটে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মূলত কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করার খরচের বিষয়টি নিয়ে কোম্পানি মালিক ও শ্রমিকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ২ মাসের মত বেকার হয়ে পড়েছিল ৯০ শতাংশের বেশি শ্রমিক। কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছিল অর্থ ও খ্যাদ্য সংকট।
কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের উপর এই খরচ চাপিয়ে দেয়ার সমালোচনাও করছেন অনেকেই। বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিকদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে পুরো টাকাই শ্রমিকদের বেতন থেকে কেটে নেয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে অনেক শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কর্মীদের এই হেলথ স্ক্রিনিং এর আওতায় আসতে হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে শ্রমিকদের গনহারে এই টেস্ট এর ব্যয় নির্ধারণ ও এর ব্যয় বহন করা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে সমালোচনা ও পর্যালোচনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি জানিয়েছিলেন কোম্পানি মালিকদেরকে এই স্ক্রিনিং টেস্ট এর খরচ বহন করার জন্য। কিন্তু মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ কোম্পানিই এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেনি।
কোম্পানি মালিকদের তরফ থেকে সরকারকেই এই খরচ বহন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়া মালিক সমিতি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়েছিল।
এদিকে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান জানিয়েছেন, যেসব কোম্পানি মালিকগণ সামাজিক সুরক্ষা কাউন্সিল (সোকসো) এর মাধ্যমে তাদের শ্রমিকদের নিবন্ধন করেছিলেন তাদেরকে কোভিড-১৯ এর টেস্ট এর ব্যয় সোকসো বহন করবে এবং যারা সোকসোতে নিবন্ধন করেননি তারা নিজ খরচেই এটা করতে হবে৷ তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি মালিকদের পরামর্শ দেন যে কোভিড-১৯ এর খরচ শ্রমিকদের বেতন থেকেই কেটে নিতে পারে।
তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ৫০ রিঙ্গিত করে কেটে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মূলত কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করার খরচের বিষয়টি নিয়ে কোম্পানি মালিক ও শ্রমিকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ২ মাসের মত বেকার হয়ে পড়েছিল ৯০ শতাংশের বেশি শ্রমিক। কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছিল অর্থ ও খ্যাদ্য সংকট।
কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের উপর এই খরচ চাপিয়ে দেয়ার সমালোচনাও করছেন অনেকেই। বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিকদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে পুরো টাকাই শ্রমিকদের বেতন থেকে কেটে নেয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে অনেক শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


শ্রমিকদের বাঁশ দেওয়ার ব্যবস্থা করা জায়না,সামনে ভিসা কি ভাবে লাগাবে টেনশন আছে সবাই
ReplyDelete