বিদেশিদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কড়া নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন চায় দেশের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আরও কড়াকড়ি অবস্থান নিতে হবে যাতে কোনও অবৈধ অভিবাসী যাতে দেশে প্রবেশ না করতে পারে। তিনি বলেছেন যে, অভিবাসীদের অবৈধভাবে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি বাড়ানো হলে তারা দেশে প্রবেশে বাধা পেয়ে নিজেদের দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হবে।
যদি আমরা আমাদের জলসীমায় নজরদারি না রাখি তাহলে বিদেশিরা আবারও আসবে এবং প্রবেশের সুযোগ খুজতে থাকবে। আর এটি আমাদের দেশের জন্য বড় একটি সমস্যা সৃষ্টি করবে বলে আজ কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিরলস কাজ করে যাওয়া ফ্রন্টলাইনে থাকা সকল সদস্যদের সাথে বিশেষ ভিডিও সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ৩০ মিনিটের ঐ ভিডিও কনফারেন্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় (এমওএইচ), মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী (এটিএম), রয়েল মালয়েশিয়ার পুলিশ (পিডিআরএম), ইমিগ্রেশন বিভাগ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ, মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী (এপিএম), মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট (এমএমইএ) এবং মালয়েশিয়ার স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ (রেলা) এর কর্মকর্তা ও সদস্যগণ যুক্ত ছিলেন।
এসময় সামুদ্রিক সুরক্ষা ইস্যুতে এপিএমএম অ্যাডমিরাল (এম) মহাপরিচালক দাতু মোহাম্মদ জুবিল ম্যাট সোম বলেছেন যে তিনি, রয়েল মালয়েশিয়ার নৌবাহিনী (আরএমএন) এবং রয়েল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম) কড়া নজরদারি ও সক্রিয়ভাবে মিয়ানমার থেকে আগত শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ অপারেশন পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা আরএমএন সদস্যদের সহায়তায় থাই সীমান্তে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছি।
জাতীয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এটিএম প্রধান জেনারেল তান শ্রী আফেন্ডি বুয়াং দাবী করেন, যে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী, পিডিআরএম, এপিএমএম এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের তিনটি শাখার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এটি যতটা সম্ভব কঠোরভাবে পরিচালিত হতে পারে।
সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সশস্ত্র বাহিনী (এটিএম) এর সাথে জড়িত এবং দেশের অপারেশন অঞ্চলগুলিতে রয়েছে। আমি নিশ্চিত যে আমরা যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন তা হল আমাদের দেশের সীমান্তগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ আরও মহামারী আকারে ছড়িয়ে দিতে পারে।
রয়েল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম) এর উপ-মহাপরিদর্শক-পুলিশ দাতুক মাজলান মনসুর বলেছেন,
মন্ত্রণালয় বর্তমানে নতুন একটি আদেশের মধ্যে দিয়ে সারাদেশে শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার ঘোষণার মাধ্যমে সারাদেশে প্রশাসনিক প্রয়োগ বাস্তবায়ন করছে।
আমরা জানি যে, হারি রায়া বা ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি যেকারণে আমরা মহাসড়ক গুলোতে অতিরিক্ত যানবাহন বেড়ে যেতে দেখেছি কারণ মানুষ গ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েছে। রাস্তায় প্রচুর যানবাহন বেড়ে যেতে দেখে দেশের সাধারণ জনগণ সমালোচনা করে বিভিন্ন মন্তব্য করেছিল। তিনি বলেন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কোন ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠী CMCO আইন ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যদি আমরা আমাদের জলসীমায় নজরদারি না রাখি তাহলে বিদেশিরা আবারও আসবে এবং প্রবেশের সুযোগ খুজতে থাকবে। আর এটি আমাদের দেশের জন্য বড় একটি সমস্যা সৃষ্টি করবে বলে আজ কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিরলস কাজ করে যাওয়া ফ্রন্টলাইনে থাকা সকল সদস্যদের সাথে বিশেষ ভিডিও সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ৩০ মিনিটের ঐ ভিডিও কনফারেন্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় (এমওএইচ), মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী (এটিএম), রয়েল মালয়েশিয়ার পুলিশ (পিডিআরএম), ইমিগ্রেশন বিভাগ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ, মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী (এপিএম), মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট (এমএমইএ) এবং মালয়েশিয়ার স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ (রেলা) এর কর্মকর্তা ও সদস্যগণ যুক্ত ছিলেন।
এসময় সামুদ্রিক সুরক্ষা ইস্যুতে এপিএমএম অ্যাডমিরাল (এম) মহাপরিচালক দাতু মোহাম্মদ জুবিল ম্যাট সোম বলেছেন যে তিনি, রয়েল মালয়েশিয়ার নৌবাহিনী (আরএমএন) এবং রয়েল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম) কড়া নজরদারি ও সক্রিয়ভাবে মিয়ানমার থেকে আগত শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ অপারেশন পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা আরএমএন সদস্যদের সহায়তায় থাই সীমান্তে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছি।
জাতীয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এটিএম প্রধান জেনারেল তান শ্রী আফেন্ডি বুয়াং দাবী করেন, যে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী, পিডিআরএম, এপিএমএম এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের তিনটি শাখার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এটি যতটা সম্ভব কঠোরভাবে পরিচালিত হতে পারে।
সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সশস্ত্র বাহিনী (এটিএম) এর সাথে জড়িত এবং দেশের অপারেশন অঞ্চলগুলিতে রয়েছে। আমি নিশ্চিত যে আমরা যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন তা হল আমাদের দেশের সীমান্তগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ আরও মহামারী আকারে ছড়িয়ে দিতে পারে।
রয়েল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম) এর উপ-মহাপরিদর্শক-পুলিশ দাতুক মাজলান মনসুর বলেছেন,
মন্ত্রণালয় বর্তমানে নতুন একটি আদেশের মধ্যে দিয়ে সারাদেশে শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার ঘোষণার মাধ্যমে সারাদেশে প্রশাসনিক প্রয়োগ বাস্তবায়ন করছে।
আমরা জানি যে, হারি রায়া বা ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি যেকারণে আমরা মহাসড়ক গুলোতে অতিরিক্ত যানবাহন বেড়ে যেতে দেখেছি কারণ মানুষ গ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েছে। রাস্তায় প্রচুর যানবাহন বেড়ে যেতে দেখে দেশের সাধারণ জনগণ সমালোচনা করে বিভিন্ন মন্তব্য করেছিল। তিনি বলেন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কোন ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠী CMCO আইন ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।


No comments