মালয়েশিয়ায় করোনা টেস্ট ছাড়া চাকরি নেই, দেখে নিন কোথায় কোথায় করোনা টেস্ট করবেন।
মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে টানা প্রায় ২ মাসের লকডাউনে দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেড়ে গেছে বেকারত্বের হার। স্থানীয় মালয়েশিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি বেকার হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মী।
গত ৪ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে লকডাউন পরিস্থিতি শিথিল করার মাধ্যমে খুলে দেয়া হয়েছে বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা। যার মাধ্যমে অনেকেই পুনরায় কাজে যোগদান করতে সক্ষম হলেও এখনো অনেক প্রবাসীই বেকার ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এদিকে মালয়েশিয়ার সরকারের তরফ থেকে চাকরিতে যোগদানের আগে করোনা টেস্ট করে সার্টিফিকেট নেয়ার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।
অভিবাসী শ্রমিকদের মাঝে এই করোনা টেস্ট নিয়ে নানা ধরনের সমস্যা ও বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। ২ মাস বেকার থাকার পর কাজে যোগদান তাও আবার করোনা টেস্ট এর খরচ গুনতে হচ্ছে অনেক অভিবাসী কর্মীকেই। এ যেন কাঁটা গায়ে নুনের ছিটা। বাধ্য হয়েই অনেক প্রবাসী ধার দেনা করে করোনা টেস্ট করাচ্ছেন। অনেকের বেতন থেকে কেটে নেয়া হবে এই করোনা টেস্ট এর খরচ আবার অনেকেরই সোকসোতে নিবন্ধন থাকার ফলে ফ্রী করিয়ে নিচ্ছে তাদের কোম্পানির মালিকগন।
যেসব অভিবাসী কর্মীরা চাকরি করার জন্য বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করতে হচ্ছে তারা নিম্নোক্ত ঠিকানা গুলো দেখে আপনার কাছাকাছি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে নিজেই করোনা টেস্ট করে সার্টিফিকেট নিয়ে নিতে পারবেন।
এদিকে সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব অনেকটা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, সে কোন প্রতিষ্ঠানে নুন্যতম একজনের আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে পুরো প্রতিষ্ঠান। বুঝাই যাচ্ছে পরিস্থিতি এখনো অনূকূলে নেই। প্রবাসীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই যেন পিছু ছাড়েনা।
গত ৪ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে লকডাউন পরিস্থিতি শিথিল করার মাধ্যমে খুলে দেয়া হয়েছে বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা। যার মাধ্যমে অনেকেই পুনরায় কাজে যোগদান করতে সক্ষম হলেও এখনো অনেক প্রবাসীই বেকার ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এদিকে মালয়েশিয়ার সরকারের তরফ থেকে চাকরিতে যোগদানের আগে করোনা টেস্ট করে সার্টিফিকেট নেয়ার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।
অভিবাসী শ্রমিকদের মাঝে এই করোনা টেস্ট নিয়ে নানা ধরনের সমস্যা ও বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। ২ মাস বেকার থাকার পর কাজে যোগদান তাও আবার করোনা টেস্ট এর খরচ গুনতে হচ্ছে অনেক অভিবাসী কর্মীকেই। এ যেন কাঁটা গায়ে নুনের ছিটা। বাধ্য হয়েই অনেক প্রবাসী ধার দেনা করে করোনা টেস্ট করাচ্ছেন। অনেকের বেতন থেকে কেটে নেয়া হবে এই করোনা টেস্ট এর খরচ আবার অনেকেরই সোকসোতে নিবন্ধন থাকার ফলে ফ্রী করিয়ে নিচ্ছে তাদের কোম্পানির মালিকগন।
যেসব অভিবাসী কর্মীরা চাকরি করার জন্য বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করতে হচ্ছে তারা নিম্নোক্ত ঠিকানা গুলো দেখে আপনার কাছাকাছি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে নিজেই করোনা টেস্ট করে সার্টিফিকেট নিয়ে নিতে পারবেন।
এদিকে সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব অনেকটা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, সে কোন প্রতিষ্ঠানে নুন্যতম একজনের আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে পুরো প্রতিষ্ঠান। বুঝাই যাচ্ছে পরিস্থিতি এখনো অনূকূলে নেই। প্রবাসীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই যেন পিছু ছাড়েনা।

















No comments