স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের হাসিই বলে দেয়,মালয়েশিয়ার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।
মালয়েশিয়ার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ও নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রথমদিকে মালয়েশিয়াতে করোনা পরিস্থিতি অত্যন্ত স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকলেও কয়েকটি সামাজিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে গীর্জা, মন্দির এবং মসজিদ ইত্যাদিতে বড় ধরনের কয়টি ক্লাস্টার হওয়ার কারণে হঠাৎ করে করো না পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এর মধ্যে
উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মালয়েশিয়ার পেতালিং জায়ার তাবলীগ জামাত ক্লাস্টার যার মাধ্যমে বহু মানুষের আক্রান্তের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে সকল পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলো। মালয়েশিয়াতে গত ১৮ই মার্চ থেকে লকডাউন ঘোষণা করে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবকিছু বন্ধ করে দেয়া হয়। মানুষকে ঘরে রাখার মাধ্যমে পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক প্রতিদিন দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করে সবার সামনে সকল আপডেট উপস্থাপন করেছিলেন।
ডাঃ নুর হিশামের কথা আর কাজের মধ্যে মিল পেয়েছিল দেশের জনগন। করোনা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের কারণে সারাদেশের মানুষ তাকে জাতীয় বীর বা নায়ক উপাধি দিয়েছিল। এদিকে চীনের একটি টিভি চ্যানেল বিশেষ একটি জরিপ ও পর্যালোচনায় স্বাস্থ মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশামকে করোনায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিশ্বের সেরা ৩ জন ডাক্তারের মধ্যে ১ জন ঘোষণা করেছিল। মালয়েশিয়ার চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শর্তসাপেক্ষে কিভাবে খুলে দেয়া যায় সেজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নিরলস কাজ করে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রনয়ন করে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ৬ টি মানদণ্ডটি উপস্থাপন করেছিলেন যার মাধ্যমে দেশের ব্যবসা বানিজ্য পুনরায় কিভাবে চালু হবে, কখন চালু করা যাবে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত প্রদান করেছিল। যার ফলাফল আজকের শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের মাধ্যমে দেশের ব্যবসা বানিজ্য পুনরায় চালু হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব অনুশীলন ও শিল্প কারখানা গুলোতে নির্ধারণ নিয়ম কানুন মেনে চলার মাধ্যমে নতুন একটি পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলার তাগিদে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়াতে বর্তমানে মোট আক্রান্তের প্রায় ৭৮% রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে, মৃত্যুর হারও একদম কম যেখানে মোট আক্রান্তের মধ্যে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মালয়েশিয়া কোভিড-১৯ এর সার্বিক পপরিস্থিতি বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো একটি অবস্থানে রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বর্তমানে মাত্র ১৩৮৭ জন আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের মুখের হাসিই বলে দেয় মালয়েশিয়ার করোনা পরিস্থিতি কতটুকু নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি৷ এই মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ আপনি ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যোগ দিতে পেরেছেন।
এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে বিভিন্ন দেশে থেকে রাষ্ট্রপ্রধান গণ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ফোন কলের মাধ্যমে অভিনন্দন ও পরামর্শ জানতে চেয়েছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়াও অন্যান্য দেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিভিন্নধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমে।
উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মালয়েশিয়ার পেতালিং জায়ার তাবলীগ জামাত ক্লাস্টার যার মাধ্যমে বহু মানুষের আক্রান্তের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে সকল পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলো। মালয়েশিয়াতে গত ১৮ই মার্চ থেকে লকডাউন ঘোষণা করে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবকিছু বন্ধ করে দেয়া হয়। মানুষকে ঘরে রাখার মাধ্যমে পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক প্রতিদিন দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করে সবার সামনে সকল আপডেট উপস্থাপন করেছিলেন।
ডাঃ নুর হিশামের কথা আর কাজের মধ্যে মিল পেয়েছিল দেশের জনগন। করোনা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের কারণে সারাদেশের মানুষ তাকে জাতীয় বীর বা নায়ক উপাধি দিয়েছিল। এদিকে চীনের একটি টিভি চ্যানেল বিশেষ একটি জরিপ ও পর্যালোচনায় স্বাস্থ মহাপরিচালক দাতু ডাঃ নুর হিশামকে করোনায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিশ্বের সেরা ৩ জন ডাক্তারের মধ্যে ১ জন ঘোষণা করেছিল। মালয়েশিয়ার চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শর্তসাপেক্ষে কিভাবে খুলে দেয়া যায় সেজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালক নিরলস কাজ করে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রনয়ন করে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ৬ টি মানদণ্ডটি উপস্থাপন করেছিলেন যার মাধ্যমে দেশের ব্যবসা বানিজ্য পুনরায় কিভাবে চালু হবে, কখন চালু করা যাবে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত প্রদান করেছিল। যার ফলাফল আজকের শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের মাধ্যমে দেশের ব্যবসা বানিজ্য পুনরায় চালু হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব অনুশীলন ও শিল্প কারখানা গুলোতে নির্ধারণ নিয়ম কানুন মেনে চলার মাধ্যমে নতুন একটি পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলার তাগিদে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়াতে বর্তমানে মোট আক্রান্তের প্রায় ৭৮% রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে, মৃত্যুর হারও একদম কম যেখানে মোট আক্রান্তের মধ্যে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মালয়েশিয়া কোভিড-১৯ এর সার্বিক পপরিস্থিতি বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো একটি অবস্থানে রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বর্তমানে মাত্র ১৩৮৭ জন আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের মুখের হাসিই বলে দেয় মালয়েশিয়ার করোনা পরিস্থিতি কতটুকু নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি৷ এই মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ আপনি ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যোগ দিতে পেরেছেন।
এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে বিভিন্ন দেশে থেকে রাষ্ট্রপ্রধান গণ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ফোন কলের মাধ্যমে অভিনন্দন ও পরামর্শ জানতে চেয়েছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়াও অন্যান্য দেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিভিন্নধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমে।


No comments