শ্রমিকদের সাথে নিয়ে নতুন ৩টি কৌশলের মাধ্যমে হবে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি; প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার ১লা মে স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে সরাসরি ভাষন দিয়েছিলেন। তিনি তার ভাষনে মালয়েশিয়ায় থমকে যাওয়া অর্থনীতির চাকা আবার পুনরায় চালুর পরিকল্পনারর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গুলোর বিষয়ে ব্যাখ্যা করেছিলেন৷
তার বক্তব্যের বেশিরভাগ অংশগুলোই ছিল শ্রমিক ও কর্মচারী বান্ধব। দেশের নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত গুলো আবার পুনরায় চালু সাথে সাথে শ্রমিকদের নতুন পদ্ধতিতে কিভাবে কাজে লাগিয়ে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা পরিচালনা করার তাগিদ দিয়েছেন৷ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও দপ্তর গুলোর সাথে বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক খাত গুলো পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে তদারকি করা হবে।
মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলার মাধ্যমে নতুন সাধারণ বা নিউ নরমাল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে৷ এদিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী দাতুশ্রী আজমিন আলী আগে থেকে নিয়োগকর্তা ও কোম্পানি মালিকদের উদ্দেশ্য হুশিয়ারি জানিয়েছিলেন যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলতে ব্যর্থ হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করাসহ তাদের লাইসেন্স বাতিল হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার ঘোষণায় আরও গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি বলেছেন তা হল, সরকার গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ আবারও উজ্জ্বল হবে।
প্রথমটি হলঃ নিউ নরমাল বা নতুন সাধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার; ২য়টিঃ ভবিষ্যতের স্বার্থে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তোলা এবং দেশের অর্থনীতির পুনর্গঠন করা। নতুন ৩ টি কৌশলের বাস্তবায়নের সাথে কর্মচারী ও শ্রমিকদের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকদের সাথে নিয়ে ৩ কৌশলের যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্র তৈরী করতে।
প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন বলেছিলেন, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন এবং কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করার মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার উপায় সরকারকে খুজে বের করতে হবে। দেশের সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নতুন পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে৷
গুরুত্বপূর্ণ কৌশল গুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হলে দেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার সকল স্থানীয় ও অভিবাসী শ্রমিকদের নতুন পদ্ধতিতে তাদের কর্মপদ্ধতি গুলোর প্রতিফলন ঘটাতে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান ও নতুন কর্ম পরিবেশে খাপ খাইয়ে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে আগে মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
তার বক্তব্যের বেশিরভাগ অংশগুলোই ছিল শ্রমিক ও কর্মচারী বান্ধব। দেশের নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত গুলো আবার পুনরায় চালু সাথে সাথে শ্রমিকদের নতুন পদ্ধতিতে কিভাবে কাজে লাগিয়ে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা পরিচালনা করার তাগিদ দিয়েছেন৷ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও দপ্তর গুলোর সাথে বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক খাত গুলো পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে তদারকি করা হবে।
মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলার মাধ্যমে নতুন সাধারণ বা নিউ নরমাল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে৷ এদিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী দাতুশ্রী আজমিন আলী আগে থেকে নিয়োগকর্তা ও কোম্পানি মালিকদের উদ্দেশ্য হুশিয়ারি জানিয়েছিলেন যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলতে ব্যর্থ হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করাসহ তাদের লাইসেন্স বাতিল হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার ঘোষণায় আরও গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি বলেছেন তা হল, সরকার গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ আবারও উজ্জ্বল হবে।
প্রথমটি হলঃ নিউ নরমাল বা নতুন সাধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার; ২য়টিঃ ভবিষ্যতের স্বার্থে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তোলা এবং দেশের অর্থনীতির পুনর্গঠন করা। নতুন ৩ টি কৌশলের বাস্তবায়নের সাথে কর্মচারী ও শ্রমিকদের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকদের সাথে নিয়ে ৩ কৌশলের যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্র তৈরী করতে।
প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন বলেছিলেন, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন এবং কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করার মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার উপায় সরকারকে খুজে বের করতে হবে। দেশের সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নতুন পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে৷
গুরুত্বপূর্ণ কৌশল গুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হলে দেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার সকল স্থানীয় ও অভিবাসী শ্রমিকদের নতুন পদ্ধতিতে তাদের কর্মপদ্ধতি গুলোর প্রতিফলন ঘটাতে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান ও নতুন কর্ম পরিবেশে খাপ খাইয়ে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে আগে মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
মালয়েশিয়ার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে অভিবাসী কন্ঠ পেইজের সাথেই থাকুন
https://www.facebook.com/ovibashi/
https://www.facebook.com/ovibashi/


No comments