মালয়েশিয়ায় সবজী বাগানে নির্মমভাবে এক বাংলাদেশী শ্রমিক খুন
মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের একটি সব্জি বাগানে এক বাংলাদেশী শ্রমিককে নির্মমভাবে খুন করে সাথে থাকা ৩ হাজার রিঙ্গিত নিয়ে গেছে দুর্বিত্তরা। গতকাল (১০ই জুন) বুধবার রাজ্যের বাটারওর্থ এর তাসেক গেলুগরের জালান কুদা হর্স এর একটি সব্জি খামারে কপাল ও মাথায় ছুরিকাঘাত অবস্থায় একজন বাংলাদেশী শ্রমিককে মৃত্যু পাওয়া গেছে।
সব্জির বাগানে কর্মরত এক মহিলা হেঁটে যাওয়ার সময় মৃত লাশটি দেখতে পেলে পুলিশকে খবর দেয় পরে ঘটনাস্থলে
সকাল ৭ টার দিকে মোঃ আব্দুল লতিফ নামের (৫৩) ঐ ব্যক্তির লাশ শরীরে রক্ত মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
পেনাং এর সেবেরাং পেরাই উত্তর জেলা পুলিশের মুখ্য সহকারী কমিশনার নূরিকানে মোহাম্মদ নূর বলেছেন,
কপালে, বাম গালে মারাত্মক জখম এবং ডান হাটুতে ধারালো কোন ছুরি বা কোদাল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মৃত ঐ ব্যক্তির দেহ যেখানে পড়েছিল সেখান থেকে ৭০ গজ দূরে একটি ধাতব গর্ত খননকারী শাবল পেয়েছে যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেহেতু সব্জির খামারে ঘটনাটি ঘটেছে সেহেতু এটি কৃষি কাজে ব্যবহৃত শাবল সদৃশ বস্তু বলে ধারণা করা হয়।
নূরীকান জানান, ঐ এলাকার একজন মালীর বর্ননা অনুসারে, খুন হওয়া ব্যক্তিটি সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশে পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর উদ্দেশ্যে অন্যান্য শ্রমিকদের বেতন আনতে মালিকের বাড়িতে গিয়েছিল।
তিনি জানান, মালিকের কাছ থেকে পাওয়া মালয়েশিয়া রিঙ্গিত ৩ হাজারের বেশি পরিমাণ অর্থ নিয়ে বাসায় চলে যান।
এরপর আজ সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে পুলিশ ধারণা করছে যে, তার সাথে বেশি পরিমাণে অর্থ থাকার কারণে ছিনতাই হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া মত নয়।
তবে মৃত ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত ওষুধ, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, রিচার্জ কার্ড এবং ৪১৮ রিঙ্গিত নগদ অর্থ একটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে পাওয়া গেছে। খুনের মামলা জড়িত অপরাধীকে সন্ধানে আরও তদন্ত চালানো হবে বলে জানায় পুলিশ।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্তে সহায়তা করার জন্য পুলিশকে যোগাযোগ করার জন্য তিনি জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং দণ্ডবিধির ৩০২২ ধারায় হত্যাকাণ্ড মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, বাংলাদেশী ঐ ব্যক্তি সব্জির খামারে কাজ করেছিলেন এবং মালয়েশিয়াতে ৩ বছর ধরে অবস্থান করছিলেন। বর্তমানে কাজকর্ম না থাকায় নিজ দেশের লোকজনের কাছে কিছু মোবাইল কার্ড বিক্রি করতেন এবং বাগানের অন্যান্য শ্রমিকদের বেতনের টাকা তাদের পরিবারের নিকট পাঠাতে সাহায্য করতেন।
সব্জির বাগানে কর্মরত এক মহিলা হেঁটে যাওয়ার সময় মৃত লাশটি দেখতে পেলে পুলিশকে খবর দেয় পরে ঘটনাস্থলে
সকাল ৭ টার দিকে মোঃ আব্দুল লতিফ নামের (৫৩) ঐ ব্যক্তির লাশ শরীরে রক্ত মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
পেনাং এর সেবেরাং পেরাই উত্তর জেলা পুলিশের মুখ্য সহকারী কমিশনার নূরিকানে মোহাম্মদ নূর বলেছেন,
কপালে, বাম গালে মারাত্মক জখম এবং ডান হাটুতে ধারালো কোন ছুরি বা কোদাল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মৃত ঐ ব্যক্তির দেহ যেখানে পড়েছিল সেখান থেকে ৭০ গজ দূরে একটি ধাতব গর্ত খননকারী শাবল পেয়েছে যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেহেতু সব্জির খামারে ঘটনাটি ঘটেছে সেহেতু এটি কৃষি কাজে ব্যবহৃত শাবল সদৃশ বস্তু বলে ধারণা করা হয়।
নূরীকান জানান, ঐ এলাকার একজন মালীর বর্ননা অনুসারে, খুন হওয়া ব্যক্তিটি সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশে পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর উদ্দেশ্যে অন্যান্য শ্রমিকদের বেতন আনতে মালিকের বাড়িতে গিয়েছিল।
তিনি জানান, মালিকের কাছ থেকে পাওয়া মালয়েশিয়া রিঙ্গিত ৩ হাজারের বেশি পরিমাণ অর্থ নিয়ে বাসায় চলে যান।
এরপর আজ সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে পুলিশ ধারণা করছে যে, তার সাথে বেশি পরিমাণে অর্থ থাকার কারণে ছিনতাই হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া মত নয়।
তবে মৃত ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত ওষুধ, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, রিচার্জ কার্ড এবং ৪১৮ রিঙ্গিত নগদ অর্থ একটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে পাওয়া গেছে। খুনের মামলা জড়িত অপরাধীকে সন্ধানে আরও তদন্ত চালানো হবে বলে জানায় পুলিশ।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্তে সহায়তা করার জন্য পুলিশকে যোগাযোগ করার জন্য তিনি জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং দণ্ডবিধির ৩০২২ ধারায় হত্যাকাণ্ড মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, বাংলাদেশী ঐ ব্যক্তি সব্জির খামারে কাজ করেছিলেন এবং মালয়েশিয়াতে ৩ বছর ধরে অবস্থান করছিলেন। বর্তমানে কাজকর্ম না থাকায় নিজ দেশের লোকজনের কাছে কিছু মোবাইল কার্ড বিক্রি করতেন এবং বাগানের অন্যান্য শ্রমিকদের বেতনের টাকা তাদের পরিবারের নিকট পাঠাতে সাহায্য করতেন।


No comments