মালয়েশিয়াতে নেই কড়াকড়ি লকডাউন, নতুন নির্দেশনা ও RMCO ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বিস্তারিত পড়ুন
মালয়েশিয়াতে বর্তমানে কড়াকড়ি আকারে কোন লকডাউন নেই। এর আগে MCO বা লকডাউন তুলে নিয়ে শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। শর্তসাপেক্ষে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার এর মাধ্যমে বেশ কিছু অর্থনৈতিক খাত ধীরে ধীরে খুলে দেয়া হয়েছিল। অর্থনৈতিক খাত সমূহ খুলে দেয়া হলেও প্রায় লকডাউনের মতই পরিস্থিতি বিরাজ করেছিলো মালয়েশিয়াতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়া সবার জন্য উন্মুক্ত ছিলনা। তবে আজ
প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার মাধ্যমে গুটি কয়েক ক্ষেত বাদে প্রায় সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ আগের মতই সকল কার্যক্রম ধীরে ধীরে চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলে পরিচালনার বিধান করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান সরকারের দেয়া নির্ধারিত বিধিমালা সমূহ মেনে চলতে ব্যর্থ হলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরকারের বেধে দেয়া নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এর ঘোষণার প্রধান বিষয় গুলো নিচে তুলে ধরা হয়েছে।
★প্রধানমন্ত্রী তার ভাষনে বলেন, এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ভ্রমন বা যাওয়ার অনুমতি দেয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে যেসব এলাকায় বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ বা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাহারায় লকডাউন করা হবে সেসব এলাকার লোকজন অন্য কোথাও যেতে পারবেনা।
★তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্থানীয়দের মধ্যে সংক্রমণের হার অনেক কমে এসেছে এবং কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
★তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন যে, কোভিড-১৯
এ আক্রান্তের সংখ্যা কোথাও হঠাৎ বৃদ্ধি হলেই সাথে সাথে উন্নত মচো বা লকডাউন কার্যকর করা হবে। সুতরাং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক আরোপিত SOP অনুযায়ী নির্দেশিকা সমূহ কঠোর ভাবে মেনে চলা উচিত। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকল কার্য সম্পাদন, মুখে মাস্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি গুলা পালন করা অপরিহার্য।
★তিনি সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেশি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, যারা শহরে ফিরে আসতে চান বা যেতে চান তারা অবশ্যই বয়স্কদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সাবধানতা অবলম্বন করবেন।
★তিনি আরও বলছিলেন যে, এখন থেকে ঘরোয়াভাবে পর্যটনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
★তার ভাষনে চুল কাটার দোকান বা হেয়ার সেলুন, বিউটি পার্লার, নাইট মার্কেট এবং বাজার পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি সরকার যাদুঘর, ইনডোর বাস্কিং, বিনোদনমূলক মাছ ধরা এবং মিডিয়া বা চলচ্চিত্র শুটিং করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
★ধর্মীয় অনুষ্ঠান যেমন হারি রায়া বা ঈদুল ফিতর উদযাওপন করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে। তবে এবার আগামী কুরবানির ঈদ উদযাপনে থাকবে শিথিলতা।
★বিভিন্ন সেমিনার, আলোচনা সভা ও কর্মশালার অনুমতি দেয়া হবে যদি তারা সর্বোচ্চ প্রটোকল ও স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী সর্বোত্তম দুরত্ব অনুশীলন করতে নিশ্চয়তা দেয়।
★যে সমস্ত ক্রীড়া বা খেলাধুলা সমূহে শারিরীক ঘনিষ্ঠতা নেই যেমন, বোলিং, সাইক্লিং, তীর নিক্ষেপ ইত্যাদির অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে আমরা এখনও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, স্টেডিয়াম, সাঁতার, রাগবি, কুস্তি, ফুটবল, বাস্কেটবল এবং হকি ইত্যাদিতে কোন ধরনের অনুমতি দেইনি।
★যেসব ব্যবসা পরিচালনায় এখনো নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে সেগুলো হলঃ পাব, নাইট ক্লাব, বিনোদন কেন্দ্র, কারাওকে, থিম পার্ক, রিফ্লেক্সোলজি সেন্টার, বডি মেসজে সেন্টার, ধর্মীয় সমাবেশ, ওপেন হাউজ এর মত প্রচুর ভীর হয় এমন ভোজ বা খাওয়ার অনুষ্ঠান।
★তিনি আরও জানান যে, কি কি বিষয় অনুমতি দেয়া হয়েছে আর কি কি বিষয়ে অনুমতি দেয়া হয়নি তা নিশ্চিত হতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে ভিজিট করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিন বলেছিলেন যে ৭টি কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার কার্যকর করা হবে।
★জনস্বাস্থ্য, আইন ও প্রয়োগকে শক্তিশালীকরণ, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণ, অর্থনৈতিক খাতকে পুরোপুরি পুনরায় খোলা, নতুন সাধারণ (new normal) সংস্কৃতি জড়িত করা, সম্প্রদায়ের দায়িত্বকে শক্তিশালীকরণ এবং উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়কে রক্ষা করার মত কৌশল গুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার মাধ্যমে গুটি কয়েক ক্ষেত বাদে প্রায় সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ আগের মতই সকল কার্যক্রম ধীরে ধীরে চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা গুলো মেনে চলে পরিচালনার বিধান করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান সরকারের দেয়া নির্ধারিত বিধিমালা সমূহ মেনে চলতে ব্যর্থ হলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরকারের বেধে দেয়া নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এর ঘোষণার প্রধান বিষয় গুলো নিচে তুলে ধরা হয়েছে।
★প্রধানমন্ত্রী তার ভাষনে বলেন, এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ভ্রমন বা যাওয়ার অনুমতি দেয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে যেসব এলাকায় বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ বা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাহারায় লকডাউন করা হবে সেসব এলাকার লোকজন অন্য কোথাও যেতে পারবেনা।
★তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্থানীয়দের মধ্যে সংক্রমণের হার অনেক কমে এসেছে এবং কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
★তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন যে, কোভিড-১৯
এ আক্রান্তের সংখ্যা কোথাও হঠাৎ বৃদ্ধি হলেই সাথে সাথে উন্নত মচো বা লকডাউন কার্যকর করা হবে। সুতরাং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক আরোপিত SOP অনুযায়ী নির্দেশিকা সমূহ কঠোর ভাবে মেনে চলা উচিত। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকল কার্য সম্পাদন, মুখে মাস্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি গুলা পালন করা অপরিহার্য।
★তিনি সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেশি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, যারা শহরে ফিরে আসতে চান বা যেতে চান তারা অবশ্যই বয়স্কদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সাবধানতা অবলম্বন করবেন।
★তিনি আরও বলছিলেন যে, এখন থেকে ঘরোয়াভাবে পর্যটনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
★তার ভাষনে চুল কাটার দোকান বা হেয়ার সেলুন, বিউটি পার্লার, নাইট মার্কেট এবং বাজার পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি সরকার যাদুঘর, ইনডোর বাস্কিং, বিনোদনমূলক মাছ ধরা এবং মিডিয়া বা চলচ্চিত্র শুটিং করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
★ধর্মীয় অনুষ্ঠান যেমন হারি রায়া বা ঈদুল ফিতর উদযাওপন করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে। তবে এবার আগামী কুরবানির ঈদ উদযাপনে থাকবে শিথিলতা।
★বিভিন্ন সেমিনার, আলোচনা সভা ও কর্মশালার অনুমতি দেয়া হবে যদি তারা সর্বোচ্চ প্রটোকল ও স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী সর্বোত্তম দুরত্ব অনুশীলন করতে নিশ্চয়তা দেয়।
★যে সমস্ত ক্রীড়া বা খেলাধুলা সমূহে শারিরীক ঘনিষ্ঠতা নেই যেমন, বোলিং, সাইক্লিং, তীর নিক্ষেপ ইত্যাদির অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে আমরা এখনও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, স্টেডিয়াম, সাঁতার, রাগবি, কুস্তি, ফুটবল, বাস্কেটবল এবং হকি ইত্যাদিতে কোন ধরনের অনুমতি দেইনি।
★যেসব ব্যবসা পরিচালনায় এখনো নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে সেগুলো হলঃ পাব, নাইট ক্লাব, বিনোদন কেন্দ্র, কারাওকে, থিম পার্ক, রিফ্লেক্সোলজি সেন্টার, বডি মেসজে সেন্টার, ধর্মীয় সমাবেশ, ওপেন হাউজ এর মত প্রচুর ভীর হয় এমন ভোজ বা খাওয়ার অনুষ্ঠান।
★তিনি আরও জানান যে, কি কি বিষয় অনুমতি দেয়া হয়েছে আর কি কি বিষয়ে অনুমতি দেয়া হয়নি তা নিশ্চিত হতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে ভিজিট করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিন বলেছিলেন যে ৭টি কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার কার্যকর করা হবে।
★জনস্বাস্থ্য, আইন ও প্রয়োগকে শক্তিশালীকরণ, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণ, অর্থনৈতিক খাতকে পুরোপুরি পুনরায় খোলা, নতুন সাধারণ (new normal) সংস্কৃতি জড়িত করা, সম্প্রদায়ের দায়িত্বকে শক্তিশালীকরণ এবং উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়কে রক্ষা করার মত কৌশল গুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি।


মসজিদ কবে থেকে খুলবে।।।।
ReplyDelete