মালয়েশিয়ায় আগত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠানোর কথা বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বিস্তারিত পড়ুন।
রোহিঙ্গা শরনার্থীদের প্রবেশ আর মেনে নিবেনা মালয়েশিয়া। রোহিঙ্গাদের প্রবেশের না করতে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকার জোরালো পদক্ষেপ গ্রহন করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুশ্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব।
এর মধ্যে একটি পদক্ষেপ হবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে রোহিঙ্গাদের প্রেরণ করা।
একই সাথে তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে রোহিঙ্গাদের অন্য কোন দেশের শরনার্থী আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের শরনার্থী কমিশনের সাথে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার ইউএনএইচসিআর (UNHCR)-এর সাথে আলোচনা করবে রোহিঙ্গাদের অন্য তৃতীয় কোন দেশে স্থানান্তর করতে।
বিশ্বে অনেকগুলো দেশ রয়েছে যারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারে। মালয়েশিয়া কিভাবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে? সেভাবে অন্য দেশও আশ্রয় দিতে পারবে। সুতরাং আমরা তাদের (UNHCR) এটি মেনে নিতে বলি। আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে রোহিঙ্গাদের মেনে নিতে তাদের সাথে কথা বলতে বলি কারণ তারা শরণার্থীদের সম্মেলনকারী।
৯ই জুন, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার দৈনিক মিডিয়া সম্মেলনে বলেন, আমরা এবার নিশ্চিত করব যে, আমরা তাদের বাংলাদেশ ও অন্যান্য তৃতীয় দেশে প্রেরণ করব।
২৬৯ জন রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এইসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করে। এটি সত্য যে, গতকাল সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার বিবৃতিতে
বলেছিলেন যে, তারা আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলতে নৌকা নিয়ে জলসীমায় প্রবেশ করে।
তারা যখন দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের মাঝখানে ভাসতে থাকে, নৌকা ডুবিতে অনেকের মৃত্যু হয়। মালয়েশিয়া সীমানায় প্রবেশ করতে গেলে তাদেত বাধা দেয়া হয়। তাদের নৌকা গুলো যখন সমুদ্রের দিকে ছেড়ে যায় তখন মানবিক কারণেই তাদের রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ প্রবল জলশ্রোতে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হতে পারে। তিনি বলেছিলেন যে সরকার শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারা আমাদের দেশে থাকবে না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে বাংলাদেশের সাথে আলোচনা করতে বলব। যদি কক্সবাজার থেকে আগত শরণার্থীরা মালয়েশিয়া প্রবেশ করে তাহলে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত ভাশান চর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এর মধ্যে একটি পদক্ষেপ হবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে রোহিঙ্গাদের প্রেরণ করা।
একই সাথে তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে রোহিঙ্গাদের অন্য কোন দেশের শরনার্থী আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের শরনার্থী কমিশনের সাথে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার ইউএনএইচসিআর (UNHCR)-এর সাথে আলোচনা করবে রোহিঙ্গাদের অন্য তৃতীয় কোন দেশে স্থানান্তর করতে।
বিশ্বে অনেকগুলো দেশ রয়েছে যারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারে। মালয়েশিয়া কিভাবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে? সেভাবে অন্য দেশও আশ্রয় দিতে পারবে। সুতরাং আমরা তাদের (UNHCR) এটি মেনে নিতে বলি। আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে রোহিঙ্গাদের মেনে নিতে তাদের সাথে কথা বলতে বলি কারণ তারা শরণার্থীদের সম্মেলনকারী।
৯ই জুন, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার দৈনিক মিডিয়া সম্মেলনে বলেন, আমরা এবার নিশ্চিত করব যে, আমরা তাদের বাংলাদেশ ও অন্যান্য তৃতীয় দেশে প্রেরণ করব।
২৬৯ জন রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এইসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করে। এটি সত্য যে, গতকাল সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার বিবৃতিতে
বলেছিলেন যে, তারা আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলতে নৌকা নিয়ে জলসীমায় প্রবেশ করে।
তারা যখন দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের মাঝখানে ভাসতে থাকে, নৌকা ডুবিতে অনেকের মৃত্যু হয়। মালয়েশিয়া সীমানায় প্রবেশ করতে গেলে তাদেত বাধা দেয়া হয়। তাদের নৌকা গুলো যখন সমুদ্রের দিকে ছেড়ে যায় তখন মানবিক কারণেই তাদের রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ প্রবল জলশ্রোতে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হতে পারে। তিনি বলেছিলেন যে সরকার শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারা আমাদের দেশে থাকবে না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে বাংলাদেশের সাথে আলোচনা করতে বলব। যদি কক্সবাজার থেকে আগত শরণার্থীরা মালয়েশিয়া প্রবেশ করে তাহলে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত ভাশান চর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হবে।


No comments