আমেরিকার চাপে পড়ে মালয়েশিয়ার শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা উন্নত করতে বাধ্য হয়েছে ২টি কোম্পানি।



আমেরিকার আমদানি নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে তাদের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার অবস্থা উন্নতি করা এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় হ্যান্ড গ্লোব প্রতিষ্ঠান টপ গ্লোব কর্পোরেশন। মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এর সাথে বিশ্বের বৃহত্তম মেডিকেল গ্লোভ নির্মাতা বলেছেন যে শ্রমিকদের আবাসনের মান প্রথম দুটি সমস্যার একটি। সিবিবি টপ গ্লোবের ২টি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের চাপ প্রয়োগ এবং শ্রমিক পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে।


ব্যবস্থাপনা পরিচালক লী কিম মিউর রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, তারা চায় যে আমরা বিদেশি কর্মীদের বসবাসের মান আরও উন্নত করে তাদের যত্ন নেই। বিদেশি শ্রমিকেদের কোন ধরনের সমস্যা যেন না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে।

তিনি বলেন থাকার জায়গা গুলো মেরামত এবং আপগ্রেড করার কাজ চলছে। বিদেশি কর্মীদের আবাসন প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উন্নত করা হবে বলে জানান তিনি।

লি বলেন, শ্রমিকদের সমস্যা গুলো উত্থাপন করার জন্য কোম্পানি হেড অফিস তাদের হোস্টেল বা ডরমিটরি থেকে দূরে হওয়ার কারণে তাদের জন্য টেকনোলজির উন্নয়ন করা হচ্ছে যাতে তারা হেড অফিসে না গিয়ে তাদের সমস্যা গুলো দ্রুত জানাতে পারে।


আমেরিকার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আরও শনাক্ত করেছে যে, বিদেশি কর্মীদের চাকুরী পেতে কোম্পানির এজেন্টদের যে অর্থ বা ফি দিয়েছিলো তা ফিরিয়ে দেওয়া।
গত সোমবার ১০ই আগস্ট টপ গ্লোব তাদের শ্রমিকদের ২০১৯ সালের আগে যারা এসেছে তাদেরকে এজেন্টদের দেয়া অর্থ ফিরিয়ে দিয়েছে।

লি বলেন, টপ গ্লোব প্রায় ১২ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার এবং কম্বোডিয়া থেকে প্রায় ১০ হাজার বিদেশি কর্মীদের তাদের মালয়েশিয়া কাজের উদ্দেশ্য আসার খরচ ফিরিয়ে দিবেন যা মোট ৫৩ মিলিয়ন রিঙ্গিত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, টপ গ্লোব মোট ১২ হাজার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছে বলে জানান তিনি।


কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে টপ গ্লোব ফেস মাস্ক উৎপাদন শুরু করছে এবং মেডিকেল গাউন, স্যানিটাইজার ও ওয়াশিং লিকুইড প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করছে। এই দুই মাসের মধ্যে তারা তাদের উৎপাদিত মাস্ক রফতানির অনুমোদন পাওয়ায় আশা করছে। তিনি আরো জানান কোম্পানিটি  সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হওয়ার পরিকল্পনা করছে

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.