বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রতিনিধি দেখা করেছে রায়হান কবিরের সাথে। রিমান্ড শেষ হলে ফ্লাইট
মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম দি মালয়েশিয়া ইনসাইট এর পক্ষ থেকে রায়হান কবিরের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করা হলে ইমিগ্রেশন সুত্র জানায় যে, গ্রেফতারের পর দিন থেকে তাকে ১৪ দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে এবং এর মেয়াদ শেষ হলে তাকে নিয়ম। অনুযায়ী নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
রায়হান কবিরের আইনজীবী জানিয়েছেন আমরা কেবল অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি। তার সমস্ত কাগজপত্র ও ফ্লাইটের টিকেট প্রস্তুত রয়েছে। সাধারণ এই প্রক্রিয়া গুলো ১৪ দিনের রিমান্ডে থাকাকালীন সময়ে করা উচিত বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি ও আইনজীবী রায়হান কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং অদূর ভবিষ্যতে টিকেটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হতে পারে।
এদিকে ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতু খায়রুল জাইমি বিন দাউদ বলেছেন, তাকে মালয়েশিয়া থেকে দ্রুতই নির্বাসন দেয়া হবে এবং আজীবন মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হবে।
আল জাজিরাতে রায়হানের সাক্ষাৎকার প্রদানের জন্য তার ভিসা বাতিল করা হয়নি। আলোচিত ঐ প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকার দেয়ার কারণে রায়হান কবিরের ভিসা বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ এমন মন্তব্য অস্বীকার করছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন।
ইমিগ্রেশনের সুত্র হতে জানা গেছে, তক্র ভিসা ছিল একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি কিন্তু রায়হান কবির কাজ করতো স্ট্রিমস প্রোডাকশন নামের অন্য একটি কোম্পানিতে। আল জাজিরাতে প্রতিবেদনটি ভাইরাল হওয়ার পর দুই কোম্পানিই তাকে তাদের কর্মী বলে অস্বীকার করেছে।
স্ট্রিমস প্রোডাকশন তার ভিসা ছিলনা তবে আলোচনা সাপেক্ষে তিনি সেই কোম্পানিতে কাজ করতেন এদিকে লিগ্যাসি সিন্দিরিয়ান বেরহাদ নামক কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে তার ভিসা থাকলে ঐ কোম্পানি কর্মী হিসেবে কাজ করতেন না। এটিকে ইমিগ্রেশন থেকে ভিসা অপব্যবহার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়হান কবিরের বিরুদ্ধে (২৫) ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে দায়ের করা মামলায় তাকে ধরিয়ে দিতে দেশবাসীর প্রতি ইমিগ্রেশনের তরফ থেকে সাহায্য চাওয়া হয় এবং দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গোয়েন্দা তৎপরতার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
রায়হান কবির গ্রেপ্তার হওয়ার সাথে সাথেই তার কোম্পানি মালিক স্ট্রিমস প্রোডাকশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন এসডিএন বিএইচডি রায়হানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিলো। কোম্পানিটি দাবি করেছে রায়হান তাদের কর্মচারী নন তবে তিনি কেবলমাত্র একজন ঠিকাদার হিসাবে কাজ করেছেন।
কোম্পানি আরও দাবি করেছে যে, আল জাজিরাতে বিতর্কিত মন্তব্য করে রায়হান কবির মালিক স্ট্রিমের বিপণন প্রধান হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির নাম এবং খ্যাতি কলুষিত করেছেন।



No comments