মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত জুমার নামাজসহ সকল মসজিদ বন্ধ ঘোষণা করেছেন সুলতান শরাফউদ্দিন ইদ্রিস শাহ।
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের সুলতান শরাফউদ্দিন ইদ্রিস শাহ আদেশ দিয়েছেন যে,
করোনাভাইরাস (কোভিড -১৯) প্রতিরোধের অংশ হিসেবে আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেলাঙ্গর এলাকার সকল মসজিদ আপাতত বন্ধ থাকবে। মহামান্য সুলতানের একান্ত সচিব, দাতুক মোহামাদ মুনির বনি আজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, সেলানগরের সকল মসজিদ, সুরাউগুলোতে নামাজের জামাত ও ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠান ও মাসজিদের প্রাঙ্গণে সকল ধরনের গনজমায়েত
বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, সুলতান শরাফউদ্দিন আদেশ দিয়েছিলেন যে, জুমার নামাজগুলোর
প্রতিস্থাপন হিসেবে জোহরের নামাজ নিজ নিজ বাসায় থেকে আদায় করা যেতে পারে এবং মসজিদে প্রতি ওয়াক্তের আযান যথা সময়েই দেয়া হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি যদি আগামী ১৭ এপ্রিলের আগেই নিয়ন্ত্রণে আসে তাহলে তা পরিবর্তন করে আগের অবস্থায় আনা হবে। এদিকে সেলাঙ্গর রাজ্যে বসবাসকারী প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষের মঙ্গল কামনায় তিনি বেশ উদ্বিগ্ন। সেই কারণে এই ভাইরাসের প্রভাব যে বিস্তার লাভ না করতে পারে সেজন্য এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই ব্যবস্থা গ্রহন করে হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি গতকাল প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন
ইয়াসিনের ঘোষিত চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আদেশের সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। মোহামাদ মুনির আরও বলেন যে, এই মরণঘাতী ভাইরাসের বিস্তার রোধে সেলাঙ্গর মুফতী বিভাগ, সেলাঙ্গার ইসলামিক ধর্মীয় কাউন্সিল, সেলাঙ্গার ইসলামিক ধর্মীয় বিভাগ এবং সেলাঙ্গার কোভিড-১৯ এর বিশেষ কমিটি সহ সেলাঙ্গার সুলতানের আদেশে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ বৈঠকের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি অঞ্চলের সকল বাসিন্দাদেরকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে মেনে চলার আহ্বান জানান পাশাপাশি সেলাঙ্গর রাজ্যের সকল মুসলমানদেরকে বেশি বেশি ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা ও কু'নুতে তানজিলা প্রতিটি নামাজের পর বেশি বেশি পড়ার তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দোয়া পড়ার কথা বলেছেন।
মসজিদ ভিত্তিক বড় জমায়েতগুলো না করে আপাতত ঘরে বসে নামাজ পড়ার তাগিদ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সেলাঙ্গর রাজা সুলতান শরাফউদ্দিন ইদ্রিস শাহ আলহাজ্ব। রাজ্যের সকল বাসিন্দাদের ধৈর্য ধরে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপদেশ দিয়েছেন তিনি।
- বার্নামা
করোনাভাইরাস (কোভিড -১৯) প্রতিরোধের অংশ হিসেবে আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেলাঙ্গর এলাকার সকল মসজিদ আপাতত বন্ধ থাকবে। মহামান্য সুলতানের একান্ত সচিব, দাতুক মোহামাদ মুনির বনি আজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, সেলানগরের সকল মসজিদ, সুরাউগুলোতে নামাজের জামাত ও ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠান ও মাসজিদের প্রাঙ্গণে সকল ধরনের গনজমায়েত
বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, সুলতান শরাফউদ্দিন আদেশ দিয়েছিলেন যে, জুমার নামাজগুলোর
প্রতিস্থাপন হিসেবে জোহরের নামাজ নিজ নিজ বাসায় থেকে আদায় করা যেতে পারে এবং মসজিদে প্রতি ওয়াক্তের আযান যথা সময়েই দেয়া হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি যদি আগামী ১৭ এপ্রিলের আগেই নিয়ন্ত্রণে আসে তাহলে তা পরিবর্তন করে আগের অবস্থায় আনা হবে। এদিকে সেলাঙ্গর রাজ্যে বসবাসকারী প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষের মঙ্গল কামনায় তিনি বেশ উদ্বিগ্ন। সেই কারণে এই ভাইরাসের প্রভাব যে বিস্তার লাভ না করতে পারে সেজন্য এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই ব্যবস্থা গ্রহন করে হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি গতকাল প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন
ইয়াসিনের ঘোষিত চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আদেশের সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। মোহামাদ মুনির আরও বলেন যে, এই মরণঘাতী ভাইরাসের বিস্তার রোধে সেলাঙ্গর মুফতী বিভাগ, সেলাঙ্গার ইসলামিক ধর্মীয় কাউন্সিল, সেলাঙ্গার ইসলামিক ধর্মীয় বিভাগ এবং সেলাঙ্গার কোভিড-১৯ এর বিশেষ কমিটি সহ সেলাঙ্গার সুলতানের আদেশে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ বৈঠকের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি অঞ্চলের সকল বাসিন্দাদেরকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে মেনে চলার আহ্বান জানান পাশাপাশি সেলাঙ্গর রাজ্যের সকল মুসলমানদেরকে বেশি বেশি ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা ও কু'নুতে তানজিলা প্রতিটি নামাজের পর বেশি বেশি পড়ার তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দোয়া পড়ার কথা বলেছেন।
মসজিদ ভিত্তিক বড় জমায়েতগুলো না করে আপাতত ঘরে বসে নামাজ পড়ার তাগিদ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সেলাঙ্গর রাজা সুলতান শরাফউদ্দিন ইদ্রিস শাহ আলহাজ্ব। রাজ্যের সকল বাসিন্দাদের ধৈর্য ধরে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার উপদেশ দিয়েছেন তিনি।
- বার্নামা


No comments