আবারও মালয়েশিয়াতে অনলাইন জুয়া সিন্ডিকেটের ৫৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল বিকেলে মালয়েশিয়া পুলিশের অভিযানে ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে একটি বাংলো ভবনে পরিচালিত আন্তর্জাতিক অনলাইন জুয়া সিন্ডিকেট। বাতু 14 আবাসিক এলাকায় তিনটি চীনা সিন্ডিকেট এই অনলাইন জুয়া পরিচালনা করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশ ধারণা করছে যে, এই সিন্ডিকেটের মাসিক লাভ প্রায় ১০ মিলিয়ন বা ১ কোটি রিঙ্গিত।
মালয়েশিয়ার বুকিত আমান অপরাধ তদন্ত, জুয়া এবং ডার্ক শেয়ার অপারেশনস ইন্টেলিজেন্স এর ডি7 ইউনিট দ্বারা পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়া অপারেশনে সফলভাবে চারজন নারীসহ ৫৪ জন চীনাকে গ্রেপ্তার করেছে। এই বিষয়ে বুকিত আমান ফৌজদারি তদন্ত বিভাগের (জেজে) পরিচালক দাতুক হুজির মোহাম্মদ জানান, গতকাল ১৭ই এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩ টার সময় অভিযানের সময় দেখা যায় তারা সবাই অনলাইনের গ্রাহকদের
ধোকাবাজি সেবা দিতে ব্যস্ত। ভবনটিকে কল সেন্টার হিসাবে ডেকোরেশন করা হয়েছে যেখানে নিরাপত্তার সুবিধার জন্য ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করে বাইরে থেকে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। তদন্তে দেখা গেছে তারা কানাডার ২৮ টি এবং বেইজিংয়ের ২৮টি অনলাইন জুয়া পরিচালনা এবং এর প্রচার করে আসছিলো। তারপর চীনের গ্রাহকদের Wechat এর মাধ্যমে অনলাইন গেমটি অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও পরিচালনা করছে।
সিন্ডিকেটটি গ্রাহকদেরকে বলে যে এটি খেলা খুবই সহজ এবং এতে জয়লাভ করা যায় বেশি যার ফলে টাকা ইনকাম বেশি করা যাবে। চীনা নাগরিকদের জন্য wechat এর মাধ্যমে তারা তারা গেমটির পরিচালনা করছে। সিন্ডিকেটটির প্রতিদিন প্রায় 320,000 রিঙ্গিত লাভ হয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে তিনি দূতাবাসকে বিষয়টি জানানো হবে এবং তাদের শাস্তির বিষয়ে দূতাবাসের সহোযোগিতা করবেন বলে আশা করেছেন তিনি।
হুজির বলেন, আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করা দরকার যাতে চীনের কোন সিণ্ডিকেট মালয়েশিয়াকে অনলাইন ট্রানজিট হিসেবে অবৈধ কোন ব্যবসা জুয়া পরিচালনা না করতে পারে। মালয়েশিয়াকে জুয়ার কেন্দ্র হিসেবে যেন না গড়ে তুলে পারে সেদিকে আমাদের গোয়েন্দা টিমকে তৎপর হতে হবে।অভিযানের সময় পুলিশ ৬০ টি কম্পিউটার, ৩১৩ টি মোবাইল ফোন, ছয়টি মডেম এবং সাত রাউটার জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সবাইকে লকাপে ঢুকানোর আগে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়েছে।
এই সিন্ডিকেটে বিচারের জন্য মামলাটি উন্মুক্ত জুয়া আইন ১৯৫৩ এর ধারা ৪ (১) (ক), (গ) এবং (ছ) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯ এর ধারা ১৫ (১) (গ) এর অধীনে এবং আইনের ধারা 39 (বি) এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মালয়েশিয়ার বুকিত আমান অপরাধ তদন্ত, জুয়া এবং ডার্ক শেয়ার অপারেশনস ইন্টেলিজেন্স এর ডি7 ইউনিট দ্বারা পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়া অপারেশনে সফলভাবে চারজন নারীসহ ৫৪ জন চীনাকে গ্রেপ্তার করেছে। এই বিষয়ে বুকিত আমান ফৌজদারি তদন্ত বিভাগের (জেজে) পরিচালক দাতুক হুজির মোহাম্মদ জানান, গতকাল ১৭ই এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩ টার সময় অভিযানের সময় দেখা যায় তারা সবাই অনলাইনের গ্রাহকদের
ধোকাবাজি সেবা দিতে ব্যস্ত। ভবনটিকে কল সেন্টার হিসাবে ডেকোরেশন করা হয়েছে যেখানে নিরাপত্তার সুবিধার জন্য ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করে বাইরে থেকে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। তদন্তে দেখা গেছে তারা কানাডার ২৮ টি এবং বেইজিংয়ের ২৮টি অনলাইন জুয়া পরিচালনা এবং এর প্রচার করে আসছিলো। তারপর চীনের গ্রাহকদের Wechat এর মাধ্যমে অনলাইন গেমটি অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও পরিচালনা করছে।
সিন্ডিকেটটি গ্রাহকদেরকে বলে যে এটি খেলা খুবই সহজ এবং এতে জয়লাভ করা যায় বেশি যার ফলে টাকা ইনকাম বেশি করা যাবে। চীনা নাগরিকদের জন্য wechat এর মাধ্যমে তারা তারা গেমটির পরিচালনা করছে। সিন্ডিকেটটির প্রতিদিন প্রায় 320,000 রিঙ্গিত লাভ হয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে তিনি দূতাবাসকে বিষয়টি জানানো হবে এবং তাদের শাস্তির বিষয়ে দূতাবাসের সহোযোগিতা করবেন বলে আশা করেছেন তিনি।
হুজির বলেন, আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করা দরকার যাতে চীনের কোন সিণ্ডিকেট মালয়েশিয়াকে অনলাইন ট্রানজিট হিসেবে অবৈধ কোন ব্যবসা জুয়া পরিচালনা না করতে পারে। মালয়েশিয়াকে জুয়ার কেন্দ্র হিসেবে যেন না গড়ে তুলে পারে সেদিকে আমাদের গোয়েন্দা টিমকে তৎপর হতে হবে।অভিযানের সময় পুলিশ ৬০ টি কম্পিউটার, ৩১৩ টি মোবাইল ফোন, ছয়টি মডেম এবং সাত রাউটার জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সবাইকে লকাপে ঢুকানোর আগে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়েছে।
এই সিন্ডিকেটে বিচারের জন্য মামলাটি উন্মুক্ত জুয়া আইন ১৯৫৩ এর ধারা ৪ (১) (ক), (গ) এবং (ছ) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯ এর ধারা ১৫ (১) (গ) এর অধীনে এবং আইনের ধারা 39 (বি) এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


No comments