মালয়েশিয়ায় লকডাউনের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পালাতে গিয়েও রক্ষা মিলেনি অবৈধ প্রবাসীর
আজ মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের জালান পাসার পুডুতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা একটি এলাকায় একজন অভিবাসী কর্মী পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হয়েছে।
দুপুর আড়াইটার দিকে ৩৯ বছর বয়সী ঐ অভিবাসী কর্মী কাঁটা তারের বেড়া ডিঙিয়ে করোনা টেস্ট না করেই পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ঐ ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের গ্রেফতার থেকে রক্ষা করতে পাশের একটি মার্কেটে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেছিল। পরে পুলিশ সেনাবাহিনীর সদস্যারা দৌড়ে গিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে আটককৃত ব্যক্তির জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি।
মিঃ লিম নামে সেখানকার একজন বাসিন্দা জানান পুলিশ ও সেনাবাহিনী যখন ঐ এলাকা টিকে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলতে শুরু করে তখন সেখানে থাকা বিদেশিরা পালিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে এবং তারা খুব বিচলিত ও চিন্তিত হয়ে পড়ে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে যে এই অঞ্চলটি সম্পুর্ন লকডাউন করা হলে তারা পালাতে পারবে না। এই এলাকাটিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসক টিম সকাল ১০ টার দিকে এসে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য সোয়্যাব টেস্ট নমুনা সংগ্রহ করে।
এলাকাটিতে বেশ কিছু পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পরই আংশিকভাবে কড়াকড়ি নিরাপত্তা আরোপ করা হয় তবে অন্যান্য এলাকা যেমন সেলায়াং পাইকারি বাজার, চৌকিট, জালান মসজিদ ইন্ডিয়া ইত্যাদি এলাকার মত নয়। এর আগে এসব অঞ্চলে সাঁড়াশি অভিযানের আগে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল, পরে সকল বাসিন্দাকে কোভিড-১৯ টেস্ট করার পর গ্রেফতার করা হয়। যেকারণে ভয়ে এই ব্যক্তিটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও পালাতে পারেনি।
দুপুর আড়াইটার দিকে ৩৯ বছর বয়সী ঐ অভিবাসী কর্মী কাঁটা তারের বেড়া ডিঙিয়ে করোনা টেস্ট না করেই পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।
![]() |
| Photo Source: Harian Metro. |
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ঐ ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের গ্রেফতার থেকে রক্ষা করতে পাশের একটি মার্কেটে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেছিল। পরে পুলিশ সেনাবাহিনীর সদস্যারা দৌড়ে গিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে আটককৃত ব্যক্তির জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি।
মিঃ লিম নামে সেখানকার একজন বাসিন্দা জানান পুলিশ ও সেনাবাহিনী যখন ঐ এলাকা টিকে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলতে শুরু করে তখন সেখানে থাকা বিদেশিরা পালিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে এবং তারা খুব বিচলিত ও চিন্তিত হয়ে পড়ে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে যে এই অঞ্চলটি সম্পুর্ন লকডাউন করা হলে তারা পালাতে পারবে না। এই এলাকাটিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসক টিম সকাল ১০ টার দিকে এসে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য সোয়্যাব টেস্ট নমুনা সংগ্রহ করে।
এলাকাটিতে বেশ কিছু পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পরই আংশিকভাবে কড়াকড়ি নিরাপত্তা আরোপ করা হয় তবে অন্যান্য এলাকা যেমন সেলায়াং পাইকারি বাজার, চৌকিট, জালান মসজিদ ইন্ডিয়া ইত্যাদি এলাকার মত নয়। এর আগে এসব অঞ্চলে সাঁড়াশি অভিযানের আগে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল, পরে সকল বাসিন্দাকে কোভিড-১৯ টেস্ট করার পর গ্রেফতার করা হয়। যেকারণে ভয়ে এই ব্যক্তিটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও পালাতে পারেনি।


No comments