মালয়েশিয়ার সংসদে বৈধ শ্রমিকদের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণাঃ মানবসম্পদমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত অভিবাসী কর্মীদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুশ্রী এম সারাভানান।
সারাভানান আর বলেছেন যে বর্তমান টালি পদ্ধতিতে দুর্বলতা থাকায় এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল। বুধবার (৫ই আগস্ট) মালয়েশিয়ার জাতীয় সংসদের এক অধিবেশনে রাজনৈতিক দল পাকাতান হারাপান এমপি দাতুশ্রী সাইফুদফিন নাসিউশনের উত্থাপিত সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়টি পরিচালনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রবীণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন যাতে আমরা সঠিক সংখ্যক অভিবাসী কর্মী পেতে সক্ষম হতে পারি।
তিনি সাইফুদ্দিনের সাথে একমত হয়েছিলেন যে, বিভিন্ন সরকারি দফতর বিভিন্ন পরিসংখ্যান সরবরাহ করেছেন যার মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে নীতিমালা প্রকাশ করা সরকারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। কমিটি ত্রুটিগুলো সম্পর্কে সচেতন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশি কর্মীদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণের জন্য একটি সাধারণ প্লাটফর্ম ব্যবস্থা তৈরির জন্য সম্মত হয়েছেন।
উদাহরণস্বরূপ, মানবসম্পদ মন্ত্রনালয়কে সংসদে বিদেশী কর্মীদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে, যেখানে বিদেশি কর্মীদের অনুমোদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে সংসদে বারিসান ন্যাশনাল এর এমপি দাতুশ্রী আব্দুল আজিজ আব্দুল রহিম ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী নিবন্ধিত বা বৈধ অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা কমে গিয়ে এই বছরের জানুয়ারিতে ১৯ লাখ ৮০ হাজার থেকে ১৪ লাখ ৪০ হাজারে নেমেছে
সারাভানান আবারও স্মরণ করিয়ে দেন যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ সমস্ত সেক্টরে নতুন করে বিদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। তিনি আরও জানান যে ১ জুলাই পর্যন্ত ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি মালিকদের কমপক্ষে ৩০ দিনের জন্য জবস মালয়েশিয়া পোর্টালে শুন্যপদ গুলোর বিজ্ঞাপন দিতে হবে।
ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই স্থানীয়দের চাকরির পদ গুলো পূরণ করে বিদেশি শ্রমিক এবং প্রফেশনাল কর্মীর জন্য আবেদন করতে পারবে। সারাভানান আরও বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে বিদেশি শ্রমিক নির্ভরতার ঝুঁকি কমানোর নীতি অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে।
গত সপ্তাহে সারাভানান বলেছিলেন যে, বছরের শেষের দিকে নির্মান, প্লানটেশন এবং কৃষি খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন করার বিষয়টি বিবেচনা কয়া হবে। অর্থাৎ এই ৩টি সেক্টরে নতুন কর্মী নিয়োগের বিষয় বছরের শেষের দিকে আবারও বিবেচনা করা হবে।



No comments