প্রবাসী খুন হওয়ার ৭ দিন পর, ফ্রিজের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করেছে কাতার পুলিশ। অভিবাসী কন্ঠ।

কাতারে প্রবাসী ব্যবসায়ী খুন, ফ্রিজ থেকে উদ্ধার

নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর আব্দুল মতিন নামের একজন বাংলাদেশী প্রবাসী ব্যবসায়ীর লাশ বন্ধুর বাসার ফ্রিজ থেকে উদ্ধার করেছে কাতারের পুলিশ।
ঐ প্রবাসী ব্যাবসায়ী বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার হরিপুর গ্রামে। জানা যায় তিনি তিন কন্যা সন্তানের পিতা এবং প্রায় ২০ বছর যাবৎ কাতারের সানাইয়া এলাকায় তিনি গ্যারেজ এর

 ব্যবসা করে আসছিলেন। গত বছরের আগস্ট মাসে শেষবারের মতো দেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রবাসী আব্দুল মতিনের খুনের ঘটনায় তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার স্ত্রী ও কন্যারা বাকরুদ্ধ হয়ে মূর্ছা যাচ্ছেন বলে জানা যায়।

নিহতের বড়ভাই কাতার প্রবাসী আতিকুর রহমান ও ভাতিজা জাকির হোসেন বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে ইব্রাহিম নামক তার এক বন্ধু ফোন করে ডেকে নেয় তাকে। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেও তাকে না পেয়ে কাতারে অবস্থানরত স্বজনরা পুলিশে খবর দেন। গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকালে

 কাতারের আবু হামুর এলাকায় তার ঐ বন্ধু ইব্রাহিমের বাসার একটি ফ্রিজের ভেতরে আব্দুল মতিনের লাশ খুজে পায় কাতার পুলিশ। এরপর  আর সন্দেহভাজন খুনি ইব্রাহিমের খোঁজ পায়নি পুলিশ। জানা যায়, ইব্রাহিম চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার গচুয়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আহমদের ছেলে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় হামাদ হাসপাতাল মর্গে রেখে ঘটনার তদন্ত করে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, পরিকল্পিতভাবে আব্দুল মতিনকে খুন করে তার বাসার ফ্রিজে লুকিয়ে দেশে চলে গেছেন।

এদিকে, রোববার বিকেলে নিহতের গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী, কন্যাসহ স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলতে দেখা গেছে। বড়ভাই আব্দুল মানিক জানান, অপর ভাই আতিকুর রহমান ও ভাতিজা জাকির হোসেন ফোনে আব্দুল মতিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনা জানিয়ে  খুন হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

No comments

Theme images by Dizzo. Powered by Blogger.